অনশনের ২১ দিনের মাথায় দিল্লির যন্তরমন্তর থেকে সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে দিল্লি পুলিশ। আজ ২২ তম দিন। দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে শুয়ে দেশবাসীদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন সোনম। তাঁর হাতে লেখা একটি চিঠি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করলেন। সোমবার, ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির (CJP)-তরফে সংসদ ভবন অভিযানের যে ডাক দেওয়া হয়েছে, তা সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একে ভারতের ‘স্বাধীনতার দ্বিতীয় আন্দোলন’ বলে উল্লেখ করেছেন (sonam wangchuk)।
সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত ওই চিঠিতে সোনম ওয়াংচুক লেখেন, ‘‘২০ জুলাই, দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন। ভয়মুক্ত ভারত, অন্যায়মুক্ত ভারত।’’এরপরেই সোনম আরও লেখেন, ‘‘অবিচার থেকে মুক্তি। ভয় থেকে মুক্তি’’। সূত্রের খবর, আট লাইনের এই চিঠি স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমোর হাত দিয়ে পাঠিয়েছেন সোনম (sonam wangchuk)।
তাঁর অভিযোগ, সরকারকার তাঁকে বেআইনিভাবে হাসপাতালে আটকে রেখেছে। তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁকে যন্তর মন্তরের আন্দোলনস্থল থেকে সরিয়ে সফদরজং হাসপাতালে রাখা হয়েছে। তিনি চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন, ‘‘এটা ভারতের দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন। পার্লামেন্টে চলুন। এই কর্মসূচিকে সফল করে তুলুন। সফদরজং হাসপাতালে যেখানে বেআইনি ভাবে আমাকে আটক করে রাখা হয়েছে, সেখান থেকে গীতাঞ্জলির মাধ্যমে এই চিঠি পাঠালাম।’’
উল্লেখ্য, শিক্ষায় দুর্নীতি ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গত ২৮ জুন থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন সমাজকর্মী তথা পরিবেশবিদ সোনম ওয়াংচুক। আন্দোলনের সমর্থনে তিনি অনির্দিষ্টকালের অনশনেও বসেন। দীর্ঘ অনশনের জেরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়েছিল, সোনমের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখতে হবে সরকারকে। তার পরের দিনই বিক্ষোভস্থল থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।
পরিবারের অভিযোগ, হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে কাজ করা হয়নি। বরং জোর করে হাসপাতালে আটকে রাখা হচ্ছে সোনমকে। কোনও চিকিৎসাও হচ্ছে না। অন্য দিকে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, সোনম চিকিৎসায় সহযোগিতা করছেন না।
আরও পড়ুন :












