(Sonam Wangchuk) ২৬ দিনের অনশন, ১১ কেজি ওজন কমা, হাসপাতালের কড়া নজরদারি, সরকারের সঙ্গে আলোচনার জট—সব বিতর্কের অবসান ঘটাতে মুখ খুললেন সোনম ওয়াংচুক। শুক্রবার গভীর রাতে প্রকাশিত এক ভিডিয়ো বার্তায় তিনি জানান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত কোনও ‘ডিল’ নয়, বরং আন্দোলনরত ছাত্র-যুবকদের রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের হাত থেকে বাঁচানোর কৌশলগত সিদ্ধান্ত।
Sonam Wangchuk: ‘ডিল’ নয়, আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তাই ছিল অগ্রাধিকার
AFTER 26 DAYS OF HUNGER DO I NEED TO PROVE MY SINCERITY !!!
— Sonam Wangchuk (@Wangchuk66) July 24, 2026
Do please watch and help spread the word. Find the full 22 minutes video on my YouTube Channel: Sonam Wangchuk pic.twitter.com/6CO3tjZsSD
ভিডিয়োর শুরুতেই আবেগঘন সুরে ওয়াংচুক বলেন, ভাইবোন ও ছাত্রদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ২৬ দিন অনশন করেছেন। এতে তাঁর ১১ কেজি ওজন কমেছে, শরীরেও স্থায়ী ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এরপরও তাঁকে কার হাতে অনশন ভেঙেছেন তার ‘ক্যারাক্টার সার্টিফিকেট’ দিতে হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সরকারের সঙ্গে কোনও গোপন সমঝোতার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তাঁর মন্তব্য, ডিল করতে হলে হাসপাতালে নয়, বিলাসবহুল ঘরেই তা করতেন।
সফদরজং হাসপাতালে ‘জেলের মতো’ পরিবেশের অভিযোগ
(Sonam Wangchuk) ওয়াংচুক জানান, যন্তর মন্তর থেকে সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। মোবাইল, ল্যাপটপ ব্যবহার কিংবা আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করার অনুমতিও ছিল না। স্ত্রী রবিরা দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করার পর আদালত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র যাওয়ার অনুমতি দিলেও আদালতের নির্দেশের কপি না আসার অজুহাতে তাঁকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। সেই ঘটনার ভিডিয়োও তিনি রেকর্ড করেছিলেন, যদিও পুলিশ ও চিকিৎসকদের সমস্যার কথা ভেবে তা প্রকাশ করেননি।
Sonam Wangchuk: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা, কিন্তু শর্তে অনড় ওয়াংচুক
পরে বেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তাঁর সঙ্গে দেখা করে অনশন প্রত্যাহারের আবেদন জানান। ওয়াংচুক বলেন, তিনি কয়েকটি শর্ত সামনে রাখেন। কিছু শর্ত সরকার মেনে নিলেও বাকিগুলি নিয়ে সময় চাওয়া হয়। তাঁর ইচ্ছা ছিল বিভিন্ন দলের সাংসদ, CJP নেতা-কর্মী এবং লাদাখের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনশন ভাঙবেন। কিন্তু তাঁদের কাউকেই হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মামলা প্রত্যাহারের লিখিত আশ্বাস মিলতেই শেষ অনশন
END OF HUNGER… BEGINNING OF ACCOUNTABILITY…!
— Sonam Wangchuk (@Wangchuk66) July 24, 2026
Sonam Wangchuk ends his fast after 26 days upon getting assurance from the government and members of parliament of all political parties that the issue of accountability in the failing examination system will be discussed on the… pic.twitter.com/0C9YX5VlsL
(Sonam Wangchuk) ওয়াংচুকের দাবি, ২২ তারিখ সরকার ক্ষতিপূরণ ও সংসদে আলোচনা নিয়ে ইতিবাচক থাকলেও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহারে রাজি ছিল না। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই শর্ত পূরণ না হলে অনশন ভাঙবেন না। লাদাখে ২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযানের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তরুণদের বিরুদ্ধে আবারও কঠোর আইন প্রয়োগ হোক, তা তিনি চাননি। অবশেষে ২৩ তারিখ রাতে সরকার লিখিতভাবে মামলা প্রত্যাহারে সম্মত হলে তিনি অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর কথায়, আরও একদিন অপেক্ষা করলে দিল্লিতেও লাদাখের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত বলেই তিনি আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
CJP-র পোস্টারে Gen Z ব্যঙ্গ, মিমে ভরল ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ আন্দোলন











