ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Vande Bharat Food : বন্দে ভারতের খাবার খেয়ে ঠোঁট ফুলে ঢোল! রেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ মহিলার

Vande Bharat Food
---Advertisement---

ট্রেনের খাবার খাওয়ার পরই ঠোঁট ফুলে ঢোল! এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠল বন্দে ভারত (Vande Bharat Food) এক্সপ্রেসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ তুললেন রাঁচির এক মহিলা। তিনি দাবি করেন ট্রেনের খাবার খাওয়ার পরই তাঁর অ্যালার্জি হয় এবং তারপরই আস্তে আস্তে ঠোঁট ফুলে যায়। নিজের ছবি ও মেডিক্যাল রিপোর্ট সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন। তারপরই রেলের খাবারের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। অন্যদিকে IRCTC স্পষ্ট করে জানিয়েছে সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। তবে কেন এমন ঘটনা ঘটল? তবে সত্যিটা কী?

রাঁচির বাসিন্দা আয়ুশী সিং অভিযোগ করেন, ট্রেনে পরিবেশিত খাবার খেয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ২৭ মার্চ তিনি ২২৫০০ নম্বর ট্রেনের E1 কোচে যাচ্ছিলেন। তিনি ট্রেনে দেওয়া খাবার খান। তাঁর দাবি, এই খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি জানান, তাঁর তীব্র অ্যালার্জি হয়। তাঁর দু’বছরের পুত্র সন্তানের ডায়ারিয়া হয়। শারীরিক অবস্থা এত খারাপ হয় যে পরিস্থিতি অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে ওঠে।

এরপরই সমাজমাধ্যমে নিজের ছবি ও ডাক্তারের দেওয়া একটি প্রেসক্রিপশন শেয়ার করেন। ছবিগুলোতে দেখা যায়, তাঁর ঠোঁট ফোলা। তিনি জানিয়েছেন, অ্যালার্জি খুব গুরুতর ছিল। সময়মতো চিকিৎসা না করালে তা আরও খারাপ হতে পারত। তিনি খাবারের মানকেও নিম্নমানের বলে সমালোচনা করেছেন। কর্মীদের আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। আয়ুশী শুধু খাবার নিয়েই নয়, ট্রেনে দেওয়া জল নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘জলের স্বাদটা অন্যরকম ছিল।’

আর এই নিয়ে রেলওয়ের খাবার সরবরাহকারী সংস্থা IRCTC (Vande Bharat Food) বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। তাদের মতে, সেদিন সরবরাহ করা খাবার পরিবেশনের আগে দেখা হয়েছিল। তা সন্তোষজনক ছিল। IRCTC জানিয়েছে, সেদিন খাবারের মান নিয়ে অন্য কোনও যাত্রী অভিযোগ করেননি।

একদিকে যাত্রীর খারাপ অভিজ্ঞতা, আর অন্যদিকে রেল কর্তৃপক্ষের দাবি। এই দুইয়ের মাঝে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, সত্যটা কী এবং অন্যদিকে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now