---Advertisement---

Vinesh Chandel: I-PAC কর্তা বিনেশের ১০ দিনের ইডি হেফাজত, টাকা কোথা থেকে এসেছে? জানাল ইডি

April 14, 2026 1:52 PM
Vinesh Chandel
---Advertisement---

অর্থ তছরুপ মামলায় সোমবার রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে আইপ্যাক (Vinesh Chandel)-এর ডিরেক্টর বিনেশ চান্ডেলকে। রাতেই আইপ্যাক কর্তা বিনেশ চান্ডেলকে দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্টে পেশ করা হয়। রাতভর শুনানির পর বিচারক শেফালি বারনালা ট্যান্ডন ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে খবর, সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ৩৩ শতাংশ শেয়ার হোল্ডারও তিনি।

সোমবার কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্তে আইপ্যাক-কর্তার ঠিকানায় হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। রাতেই তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থাটির অন্যতম পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিনেশকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার ভোরে পাটিয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক (এএসজে) শেফালি বার্নালা ট্যান্ডন বিনেশের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

দিল্লি পুলিসের এফআইআরের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে ইডি। তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ। অভিযোগ, হিসাব বহির্ভূত ও অঘোষিত অর্থের লেনদেন, ব্যবসায়িক কারণ দেখিয়ে অসুরক্ষিত ঋণ নেওয়া, ভুয়ো বিল তৈরি, হাওয়ালার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন এবং দেশ-বিদেশে হাওলা চক্রের কার্যকলাপ চালিয়েছে সংস্থাটি। ইডির দাবি, এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি টাকা পাচারের হদিশ মিলেছে। মামলায় অভিযুক্ত বেশ কয়েকজনের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে এবং তল্লাশিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।

ইডির দাবি- তদন্তে জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি দুইভাবে টাকা নিত—এক অংশ ব্যাঙ্কিং চ্যানেলে এবং বাকি বড় অংশ নেওয়া হতো নগদে, যা হিসাবের বাইরে রাখা হতো। উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন ডিজিটাল নথি এবং নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই অর্থের একটি বড় অংশ এসেছে একটি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে। এমনকি তল্লাশির সময় বেশ কিছু আপত্তিকর নথি সংশ্লিষ্ট ওই রাজনৈতিক দলের কার্যালয়েও পাওয়া গেছে।

সংস্থার তরফে একাধিক থার্ড পার্টি বা তৃতীয় পক্ষের নামে ভুয়ো অর্থ প্রাপ্তির রশিদ (Vinesh Chandel) দেখানো হয়েছে। অবৈধ আর্থিক লেনদেনকে বৈধতার মোড়ক দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। যে পরিমাণ অর্থ সংস্থার অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে যার কোনও প্রকৃত ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য ছিল না। আসলে কোম্পানিটি অর্থ স্থানান্তরের জন্য একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment