২০২৬-২৭ মরসুমের প্রস্তুতিতে বড় চমক দিল ইস্টবেঙ্গল। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের অভিজ্ঞ আক্রমণভাগের ফুটবলার (Chris Ikonomidis) ক্রিস ইকোনোমিডিসকে দুই বছরের চুক্তিতে দলে নিল লাল-হলুদ। উইং এবং ফরোয়ার্ড—দুই ভূমিকাতেই সমান দক্ষ এই ফুটবলারের আগমনে নতুন মরসুমে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগ আরও ধারালো হবে বলেই আশা সমর্থকদের।
Chris Ikonomidis: দু’বছরের চুক্তিতে লাল-হলুদে অস্ট্রেলিয়ান তারকা
ইস্টবেঙ্গল ক্লাব আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ান জাতীয় দলের (Socceroos) আক্রমণভাগের ফুটবলার ক্রিস ইকোনোমিডিস আগামী দুই মরসুম লাল-হলুদের জার্সিতে খেলবেন। ১৯৯৫ সালের ৪ মে সিডনিতে জন্ম নেওয়া ৩১ বছর বয়সি এই ফুটবলার মূলত লেফট উইং, রাইট উইং এবং সেকেন্ড স্ট্রাইকার হিসেবে খেলেন। ডান পায়ে দক্ষ ইকোনোমিডিস আন্তর্জাতিক পর্যায়েও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একাধিক ম্যাচ খেলেছেন।
Chris Ikonomidis: ইউরোপ থেকে এ-লিগ—সমৃদ্ধ ক্লাব কেরিয়ার
অল্প বয়সেই ইউরোপে পাড়ি দিয়ে ইতালির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব Lazio-র যুব দলে যোগ দেন ইকোনোমিডিস। পরে ইতালির একাধিক ক্লাবে লোনে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এরপর দেশে ফিরে Perth Glory-র হয়ে অস্ট্রেলিয়ার এ-লিগে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন। গতি, ড্রিবলিং এবং বক্সে ঢুকে গোল করার ক্ষমতার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।

Chris Ikonomidis: কী শক্তি তাঁর?
দ্রুতগতির উইঙ্গার হিসেবে এক বনাম এক পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে সিদ্ধহস্ত ইকোনোমিডিস। কাট-ইন করে শট নেওয়া তাঁর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এছাড়াও গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করতেও সমান দক্ষ তিনি। বিশেষ করে কাউন্টার অ্যাটাকে তাঁর গতি এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বড় অস্ত্র হতে পারে।
ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণে নতুন মাত্রা
গত কয়েক মরসুমে ধারাবাহিক আক্রমণভাগের অভাব ভুগিয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে। সম্পূর্ণ ফিট থাকলে ইকোনোমিডিস উইং থেকে গতি বাড়ানোর পাশাপাশি বিদেশি আক্রমণভাগে অভিজ্ঞতা যোগ করবেন। ISL ও ডুরান্ড কাপের মতো প্রতিযোগিতায় সৃজনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভারতীয় ফরোয়ার্ডদের জন্য গোলের সুযোগও তৈরি করতে পারবেন তিনি। যদিও অতীতে একাধিকবার চোটের সমস্যায় পড়েছেন, তবু ফিট থাকলে ২০২৬-২৭ মরসুমে ইস্টবেঙ্গলের অন্যতম বড় অস্ত্র হয়ে উঠতে পারেন এই অস্ট্রেলিয়ান তারকা। নাম, অভিজ্ঞতা এবং মান—সবদিক থেকেই এটি লাল-হলুদের অন্যতম আকর্ষণীয় বিদেশি সই বলে মনে করা হচ্ছে।
ফিফা ব্যান কাটতেই বিস্ফোরক মহমেডান, ‘এজেন্ট রাজে’ ধ্বংসের পথে ভারতীয় ফুটবল










