মোহনবাগান জয় দিয়ে আইএসএল অভিযান শুরু করেছে। রবিবার মাঠে নামবে মহামেডান স্পোর্টিং, আর সোমবার মরশুমের প্রথম ম্যাচ খেলবে East Bengal FC। লাল-হলুদের প্রথম প্রতিপক্ষ নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি—চলতি মরশুমের ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন এবং বরাবরই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী। শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে শুরু হওয়ায় বাড়তি সতর্ক ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজ়ো। ম্যাচের আগে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি এবং মিডফিল্ডার মহম্মদ রশিদ দলের প্রস্তুতির কথা জানান।
প্রথম ম্যাচ নিয়ে রশিদ বলেন, “আমরা খুবই উৎসাহী। আমাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্য আছে, তবে আপাতত শুধু আগামীকালের ম্যাচ নিয়েই ভাবছি।” নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন মাস পরে লিগ শুরু হওয়ায় ম্যাচ ফিটনেসে ফেরাটা সহজ নয়। দীর্ঘ বিরতির পর ছন্দ, ফিটনেস ও ম্যাচ রিদম ফিরে পাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ। রশিদের কথায়, গত কয়েক মাস ধরে একসঙ্গে অনুশীলন করায় দল মানসিকভাবে প্রস্তুত, আর অতীত ভুলে সামনে এগোনোই এখন লক্ষ্য।
২০২৩ সালে শেষবার ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। এরপর কলিঙ্গ সুপার কাপের পর ডুরান্ড কাপের খুব কাছে গিয়েও শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে। কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাতের পর দায়িত্ব নেওয়া অস্কার ব্রুজ়ো এখনও ট্রফি এনে দিতে পারেননি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “গতবার লিগের মাঝপথে দায়িত্ব নিয়েছিলাম, এবার শুরু থেকেই আছি। আমরা জানি সমর্থকেরা ট্রফি চান, তাই ইতিবাচক ফলের জন্যই কাজ করছি।”
নর্থইস্টকে নিয়ে ব্রুজ়ো বলেন, দলটি গত মরশুমে দুর্দান্ত খেলেছে এবং ট্রফিও জিতেছে। তাদের দলে গতি, সংগঠন ও মানসম্পন্ন ফুটবলার রয়েছে, তাই ম্যাচ কঠিন হবে।
এদিকে মরশুম শুরুর আগেই ইস্টবেঙ্গল শিবিরে চোটের সমস্যা দেখা দিয়েছে। কোচ জানান, “চোট খেলারই অংশ। যারা নামবে তারা নিজেদের সেরাটা দেবে।” সল ক্রেসপোর সামান্য সমস্যা থাকলেও খেলার আশা রয়েছে। আর কেভিন সিবিলের হ্যামস্ট্রিং চোট নিয়ে তিনি বলেন, চিকিৎসার পর উন্নতি হচ্ছে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ফিরবে। ডিফেন্সে বিকল্প প্রস্তুত আছে বলেও আশ্বস্ত করেন কোচ।
সব মিলিয়ে কঠিন লড়াইয়ের জন্য তৈরি লাল-হলুদ শিবির।












