ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্ব যত এগোচ্ছে, ততই রোমাঞ্চকর হয়ে উঠছে গোল্ডেন বুটের লড়াই। আর সেই দৌড়ে নতুন করে আগুন জ্বালালেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক (Harry Kane) হ্যারি কেন। কঙ্গো বিরুদ্ধে শেষ ৩২-এর ম্যাচে শেষ মুহূর্তে জোড়া গোল করে শুধু ইংল্যান্ডকেই নাটকীয় জয় এনে দেননি, নিজেকেও তুলে এনেছেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকার একেবারে শীর্ষ সারিতে।
ম্যাচের মাত্র সপ্তম মিনিটেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে পিছিয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। দীর্ঘ সময় ধরে গোল শোধ করতে ব্যর্থ হয় থমাস টুচেলের দল। কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি একের পর এক সেভ করে জুড বেলিংহ্যাম ও মার্কাস র্যাশফোর্ডদের হতাশ করেন। অন্যদিকে ইয়োয়ানে উইসার শট পোস্টে লেগে ফিরে না এলে ইংল্যান্ডের অবস্থা আরও খারাপ হতে পারত।
তবে সংকটের মুহূর্তে দলের ত্রাতা হয়ে ওঠেন (Harry Kane) হ্যারি কেন। ৭৫ মিনিটে সমতা ফেরানোর পর ম্যাচের ৮৬ মিনিটে আরও একটি গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দেন তিনি। এই জয়ের ফলে শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করেছে থ্রি লায়ন্সরা।
এই জোড়া গোলের সুবাদে কেনের মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচে। ফলে (Harry Kane) তিনি নরওয়ের আর্লিং হাল্যান্ডের সঙ্গে যুগ্মভাবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। বর্তমানে ছয় গোল করে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন আর্জেন্তিনার লিওনেল মেসি এবং ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। সুইডেনের বিরুদ্ধে ৩-০ জয়ে এমবাপের জোড়া গোলই তাঁকে শীর্ষস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ গোল্ডেন বুট তালিকায় বর্তমানে রয়েছেন— কিলিয়ান এমবাপে (৬), লিওনেল মেসি (৬), হ্যারি কেন (৫), আর্লিং হাল্যান্ড (৫), উসমান দেম্বেলে (৪), ভিনিসিয়াস জুনিয়র (৪) এবং ইসমাইলা সার (৪)।
শুধু গোল্ডেন বুটের দৌড়েই নয়, ইতিহাসের পাতাতেও নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করে তুলেছেন (Harry Kane) হ্যারি কেন। ম্যাচের প্রথম গোলের মাধ্যমে তিনি ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলের ১২টি বিশ্বকাপ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেন। আর দ্বিতীয় গোল করে পেছনে ফেলে দেন পেলেকে। বর্তমানে বিশ্বকাপে কেনের গোলসংখ্যা ১৩। এর আগে চলতি বিশ্বকাপেই তিনি গ্যারি লিনেকারকে টপকে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলদাতা হয়েছেন।
This is what it means.
— Harry Kane (@HKane) July 1, 2026
Got the job done. See you in Mexico. 🦁🦁🦁 pic.twitter.com/GRBSaF8hBL
ইংল্যান্ডের জার্সিতে ১১৮ ম্যাচে (Harry Kane) কেনের গোলসংখ্যা এখন ৮৪। পাশাপাশি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে তাঁর মোট গোল দাঁড়িয়েছে ২০-এ। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানিকে হারানোর পর এই প্রথম বিশ্বকাপে পিছিয়ে পড়েও জয় পেল ইংল্যান্ড।
এবার শেষ ষোলোয় সহ-আয়োজক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। সেখানেই গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসি ও এমবাপেকে আরও চাপে ফেলার সুযোগ থাকবে হ্যারি কেনের সামনে। ফলে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠতে চলেছে এই চার মহাতারকার গোলযুদ্ধ।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ থেকে বিদায়, বেদনার মাঝেই আরও শোক! সাংবাদিক বৈঠকের মাঝেই বাবার মৃত্যুসংবাদ কঙ্গোর কোচের













hey there and thank you for your info – I’ve definitely picked up something new from proper here. I did however experience several technical issues the use of this site, as I skilled to reload the site a lot of times previous to I could get it to load properly. I have been pondering if your web host is OK? No longer that I am complaining, but sluggish loading instances occasions will often have an effect on your placement in google and could injury your high quality rating if ads and ***********|advertising|advertising|advertising and *********** with Adwords. Anyway I’m adding this RSS to my e-mail and could glance out for much extra of your respective intriguing content. Make sure you update this once more soon..