আজ ২২শে শ্রাবণ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস। এই বিশেষ দিনে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে কবিগুরুর স্মরণে সারাদিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠান, রবীন্দ্রসংগীত, কবিতা পাঠ এবং পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্যে দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সকাল থেকেই সেজে উঠেছে জোড়াসাঁকো। ঠাকুরবাড়ি প্রাঙ্গনে অগণিত ভক্তদের ভিড়। শনিবার সকালে কবিগুরুর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ ও বিধায়ক তথা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (22 se Shrabon)।
22 se Shrabon: রবীন্দ্র স্মরণে মন্ত্রীরা
শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পর মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “নতুন সরকার চায় রবীন্দ্র ভাবনা ও রবীন্দ্রনাথের দর্শনকে সারা ভারতবর্ষে আরও প্রসারিত করতে। সেই কাজ এই নতুন সরকার করে চলেছে। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে এবং রবীন্দ্র দর্শনকে নিয়ে বাঙালিয়ানাকে সম্পৃক্ত করে এই সরকার কাজ করবে”।
পাশাপাশি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তোলাবাজি নিয়েই হুঁশিয়ারি দিলেন মন্ত্রী। বলেন, “স্নাতক স্তর এবং স্নাতকোত্তরের ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ। গতবছরের তুলনায় সরকার পোষিত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ১ লক্ষেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রীকে আনতে আমরা সক্ষম হয়েছি। ঘটনাচক্রে গতবছরের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ ছাত্রী ক্যাম্পাসে এসেছে। এত ছাত্রছাত্রী আসার কারণে ক্যাম্পাসে পড়াশোনা হবে। সুস্থ পরিবেশ বজায় থাকবে। এই সরকার ৩ মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে এখনও পর্যন্ত কোথাও তোলাবাজি নিয়ে কোনও খবর আসেনি। ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেবো”।
কবিগুরুকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পর আবেগঘন হয়ে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “আমার ছোটোবেলার কথা মনে পড়ে গেল। কবিগুরুর কবিতা, গল্প সব বয়সের জন্য। তাঁর প্রতিটা লেখা কবিতা, গল্প আমাদেরকে শেখায়”।
রবীন্দ্র স্মরণে মুখ্যমন্ত্রী
অন্যদিকে, ২২ শ্রাবণ উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোসের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই অনুষ্ঠানে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বোস ও বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।










