রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

‘মিসাইল থেকে মন্ত্র’, ধ্বংসের পৃথিবীতে শান্তির আহ্বান রামচন্দ্রপুর মিলন সংঘের পুজোয়

Ramchandrapur Milan Sangha 80th durga puja
---Advertisement---

এবার থামবে কান ফাটা মিসাইলের শব্দ। হবে মন্ত্রপাঠ। ধ্বংসের পৃথিবীতে এবার শান্তির বার্তা দেবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রামচন্দ্রপুর মিলন সংঘ। ৮০তম বর্ষে পদার্পণ করল এ বছরের দুর্গাপুজো। রামচন্দ্রপুর মিলন সংঘের এ বছরের থিম ‘মিসাইল থেকে মন্ত্র’। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং তার প্রভাব মণ্ডপসজ্জায় তুলে ধরেই শান্তির বার্তা দিতে চাইছেন উদ্যোক্তারা (Ramchandrapur Milan Sangha 80th durga puja)।

Ramchandrapur Milan Sangha 80th durga puja: কেন এই থিম?

ইরান-ইজরায়েল থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন-যুদ্ধ কীভাবে সাধারণ মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করেছে, কীভাবে ক্ষয়ক্ষতি ও আর্থিক সংঙ্কটের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে, মণ্ডপে তারই প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা চলছে। থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে আলোর ব্যবহারেও। প্রায় আড়াই থেকে তিন মাস আগে শুরু হয়েছে মণ্ডপ তৈরির কাজ। পুজো যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ব্যস্ততা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতেই হবে। নাওয়া-খাওয়া ভুলে কাজ করছেন শিল্পী ও কর্মীরা (Ramchandrapur Milan Sangha 80th durga puja)।

শিল্পী প্রসেনজিৎ জানান, “মন্ডপসজ্জার জন্য থার্মোকল, ফোম, প্লাইবোর্ড, বাঁশ ও কাপড়-সহ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। পুজো চলেই এসেছে। জোর কদমে চলছে কাজ। সপ্তাহখানেকের মধ্যে আমরা কাজ শেষ করে দেবো।” অন্যদিকে, পুজোর উদ্যোক্তা সুজয় চট্টোপাধ্যায় জানান, শুধু যুদ্ধের ধ্বংসের ছবি তুলে ধরাই তাঁদের উদ্দেশ্য নয়। তাঁদের মূল বার্তা-বিশ্বজুড়ে শান্তি ফিরে আসুক। যুদ্ধের কারণে প্রাণহানি, সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি থেকে অর্থনীতির উপর যে প্রভাব পড়ছে, সেই ছবিও তুলে ধরা হচ্ছে এবারের থিমে।

মিসাইলে ধ্বংস হচ্ছে জনপদ। সেখানে মন্ত্রে রয়েছে প্রার্থনা ও শান্তির আহ্বান। উদ্যোক্তাদের বিশ্বাস, মা দুর্গা দুর্গতিনাশিনী। তাঁর আগমনে দূর হবে হিংসা ও ধ্বংস, পৃথিবীজুড়ে ফিরে আসুক শান্তির ছবি। আর সেই বার্তাই এবার রামচন্দ্রপুর মিলন সংঘের ‘মিসাইল থেকে মন্ত্র’ থিমে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now