পালা বদলের বাংলায় অন্যরকম ইদ দেখল বাংলা। রেড রোড থেকে সরে ইদ পালন হলো ব্রিগেড ময়দানে। ইদে এবার রাস্তায় কোনও যানজট হয়নি— রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানালেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “আমাদের দেশে সারাবছরই কোনও না কোনও উৎসব চলতে থাকে। কিন্তু উৎসবের কারণে রাস্তা আটকে রাখলে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। তাই উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি সবকিছু স্বাভাবিক রাখাও অত্যন্ত জরুরি এবং সরকার এবার সেই ব্যবস্থাই করেছে।”
অন্যদিকে, তৃণমূলের সাংসদদের দলবদলের হিড়িক নিয়েও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিতে ছাড়েননি দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল নেত্রীর ‘গিরগিটি’ কবিতা নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আমি তো আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাড়িতে বসে কবিতা লেখার পরামর্শ দিয়েছিলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত নিজের এই প্রতিভাকে আরও শান দেওয়া, কারণ আগামী দিনে তৃণমূল দলটা যখন পুরোপুরি উঠে যাবে, তখন কবিতা লেখার জন্য তিনি আরও অনেক বেশি সুযোগ ও সময় পাবেন।”
রাজ্যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু নিয়ে যে জটিলতা শুরু হয়েছে। তা নিয়ে আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “সবই সরলীকরণ হবে। শুরু করেছে একটা ভেবে। ওরকম নয় যে যাকে ইচ্ছে দিয়ে দিল। বাংলাদেশিরা অর্ধেক লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে চলে গেল। এটা চলবে না। ভ্যারিফিকেশন চলছে। সরলীকরণ হবে ধীরে ধীরে।”
অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ‘ভালো তৃণমূল’ মন্তব্যে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, “দলের রাজ্য সভাপতি কোন পরিপ্রেক্ষিতে এই কথা বলেছেন তা তিনিই ভালো বলতে পারবেন। তবে তাঁর ব্যক্তিগত মত হল, তৃণমূলের কাউকে এখন বিজেপিতে নেওয়া একদমই উচিত হবে না।” তিনি মনে করিয়ে দেন, একসময় বিজেপির কর্মীরা ভয়ে দলের নাম পর্যন্ত নিতে পারত না। যারা মন থেকে বিজেপিকে সমর্থন করেও স্রেফ ভয়ের কারণে রাস্তায় নেমে রাজনীতি করতে পারেনি, এখন দলের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের দেখাশোনা করা।









