ভোটের মরশুমে ফের অশান্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা। শনিবার গভীর রাতে শম্ভুনগর এলাকায় গুলি চালানোর ঘটনায় আহত এক যুবক। যার জেরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। অভিযোগের তীর শাসক-বিরোধী দুই শিবিরের দিকেই। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় টানটান উত্তেজনা, মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। (West Bengal Shootout)
স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূলের দুই কর্মী দিব্যেন্দু গায়েন এবং পলাশ মণ্ডল পোস্টার লাগিয়ে ও প্রচারের কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময়ই তাঁদের লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। প্রথম গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেও দ্বিতীয় গুলি লাগে দিব্যেন্দু গায়েন নামে এক ব্যক্তির ডান পায়ে। তৃতীয় গুলি গিয়ে লাগে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে। গুলির শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতেই দেখা যায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন আহত যুবক। (West Bengal Shootout)
মেয়ে BJP করার ‘অপরাধ’! বাবাকে ধরে বেধড়ক মার, বসিরহাটে চাঞ্চল্য
দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি-আশ্রিত দুষ্কৃতিরাই ভোটের আগে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে এই হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির পাল্টা অভিযোগ, সহানুভূতি পেতে এবং ভোটে সুবিধা নিতে তৃণমূলই নিজেদের লোক দিয়ে এই ‘নাটক’ সাজিয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই গোসাবার শম্ভুনগর এলাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
তবে এই গুলিবর্ষণের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভোটের আবহে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। (West Bengal Shootout)










