রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জনপ্রতিনিধিদের অফিস, গুদাম থেকে ত্রাণের সামগ্রী (relief materials recovered) উদ্ধার হওয়া ঘিরে বিক্ষোভ, উত্তেজনা চলছেই। এরই মাঝে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর ফুলতলা এলাকার একটি গোডাউন থেকে উদ্ধার হলো বিপুল পরিমাণ ত্রাণের সামগ্রী।
মঙ্গলবার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যৌথ অভিযান চালায়। খবর পাওয়ার পরই বারুইপুরের ফুলতলা এলাকায় একটি গোডাউনে হানা দেয়। গোডাউন খুলেতেই চোখ কপালে ওঠে উদ্ধারকারীদের। থরে থরে সাজানো ত্রাণের সামগ্রী (relief materials recovered)। বস্তাবন্দি অবস্থায় প্রচুর শাড়ি, কম্বল, লুঙ্গি, চাদর, ত্রিপল এবং শিশুদের পোশাক উদ্ধার হয়।
উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর পরিমাণ এতটাই বেশি ছিল যে সেগুলি নিয়ে যেতে প্রায় ৫ থেকে ৬টি গাড়ির প্রয়োজন হয়। উদ্ধার হওয়া সমস্ত সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে বারুইপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মধ্যে বিতরণের জন্য এই সামগ্রী আনা হয়েছিল। কিন্তু সেগুলি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই গোডাউনে মজুত করে রাখা হয়েছিল।
এই নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিজেপি কর্মীদের দাবি, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ ত্রাণ সামগ্রী একটি ব্যক্তিগত গোডাউনে মজুত করে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনায় তাঁরা বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার বিধায়ক বিভাস সর্দার ও বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি শ্যাম সুন্দর চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।
যদিও অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর উৎস, মালিকানা এবং সেগুলি কী উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।











