---Advertisement---

‘হোল্ডিং সেন্টার’-কে এতো ভয়! লোটা-কম্বল নিয়ে হাকিমপুর সীমান্তে বাংলাদেশিদের ভিড়

May 26, 2026 3:11 PM
Hakimpur Border
---Advertisement---

রাজ্যে অনুপ্রবেশ রুখতে এবার কড়া প্রশাসন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে দেশ জুড়ে সীমান্তে নজরদারি চালানো শুরু হয়ে গিয়েছে। ১৫ জুন রাজ্যে আসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Hakimpur Border)। সীমান্ত পরিদর্শনের পাশাপাশি বিএসএফ ও প্রশাসনের সঙ্গে করবেন মেগা বৈঠক। রাজ্য সরকারের এই তৎপরতা শুরু হতেই বিভিন্ন চেকপোস্ট ও সীমান্ত এলাকাগুলিতে শুরু হয়ে গিয়েছে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের দেশে ফেরার হিড়িক। মঙ্গলবার এমনই ছবি দেখা গেল, উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর সীমান্ত লাগোয়া হাকিমপুরে।

ট্রলি, ব্যাগপত্র আর লোটা-কম্বল নিয়ে বহু মানুষ প্লাস্টিক পেতে জটলা করে বসে রয়েছেন। আবার বেশ কিছু জায়গায় ব্যাগ ট্রলির স্তূপও লক্ষ্য করা যায়। অপেক্ষা করতে করতে সেই স্তূপের উপরই মাথা রেখে ঘুমাচ্ছেন অনেকেই। অপেক্ষা শুধু কখন এপার থেকে ওপারে যাবেন। শুধু মঙ্গলবারই নয়, সোমবারও সীমান্ত লাগোয়া একটি ছাউনিতে প্রায় ১০০ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী জড়ো হয়েছিলেন, বাইরে লাইনে অপেক্ষায় ছিলেন আরও জনা তিরিশ-চল্লিশেক মানুষ।

কিন্তু হঠাৎ কেন এই দেশ ছাড়ার হিড়িক? রাজ্য সরকারের নির্দেশে জেলায় জেলায় শুরু হয়ে গিয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। এই সেন্টারে অনুপ্রবেশকারী এবং সন্দেহভাজন রোহিঙ্গাদের নিয়ে এসে রাখা হবে। নবান্নের এই কড়া বার্তার পরই অবৈধভাবে এ দেশে থাকা বাসিন্দাদের মধ্যে তড়িঘড়ি বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার তাড়াহুড়ো শুরু হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই সেন্টারগুলিতে সন্দেহভাজনদের ৩০ দিন পর্যন্ত আটকে রাখা যাবে। এছাড়াও, যাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আইনি প্রক্রিয়া চলছে এবং যাদের ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি রয়েছে, তাঁদেরও এই কেন্দ্রে রাখা হবে।

শয়ে শয়ে বাংলাদেশি নাগরিক, যাঁরা এতদিন ভারতে এসে আত্মগোপন করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে, বিভিন্ন পেশায় যুক্ত ছিলেন, তাঁরা আবার দেশে ফেরার জন্য স্বরূপনগরের হাকিমপুর সীমান্তে উপস্থিত হয়েছেন।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment