জল্পনার অবসান। দীর্ঘদিনের তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী (Madan Mitra) মদন মিত্র দলীয় সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন নতুন তৃণমূল শিবিরে যোগ দিলেন। যোগদানের মঞ্চ থেকেই তিনি নাম উল্লেখ না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। একইসঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও ‘ইন্ডিভিজুয়াল কাল্ট’-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা দেন।
জল্পনা সত্যি হলো। বুধবার (Madan Mitra) মদন মিত্র ঘোষণা করেন, তিনি অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের ন্যাশনাল কমিটির চিফ হুইপ, ওয়ার্কিং কমিটির পার্টির জেনারেল সেক্রেটারিসহ সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, “আমি তৃণমূলে ছিলাম, তৃণমূলে রইলাম। শুধু আমি এই ঘর থেকে ওই ঘরে গেলাম।”
(Madan Mitra) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন নেত্রী তাঁদের পাশে ছিলেন, তাঁর প্রতিও তাঁর কোনও ক্ষোভ বা অভিযোগ নেই। তিনি বলেন, “শঠতা বা কোনও চুরি-জোচ্চুরি করতে চাই না। আমার কারও প্রতি কোনও অভিযোগ নেই।” রাজনৈতিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে তিনি কবিতার লাইনও উদ্ধৃত করেন— “জীবন-মরণ সাঁকোর সামনে, বয়স এখন দাঁড়িয়ে… এখন তোমায় বুঝতে হবে কী হবে আর কী হবে না।”
নতুন রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে (Madan Mitra) মদন মিত্র বলেন, গণতন্ত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতই শেষ কথা। তাঁর বক্তব্য, বর্তমানে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিরোধী দলনেতা (Leader of the Opposition)। তাই গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হলে সেই বাস্তবতা মেনে নিতেই হবে। তিনি বলেন, “পালঙ্ক ছিল, এই ঘরে একটা খাটিয়া রয়েছে, কিন্তু আমি খাটিয়ার দিকটাই বেছে নিলাম।”
এরপরই নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন মদন। তাঁর দাবি, “একটা মানুষের জন্য আমরা একটা জাতকে বিসর্জন দিতে পারি না। অনলি ফর ওয়ান ম্যান। দল চালায় দলের সেনাপতি। সেই সেনাপতি যদি দলকে ঠিকমতো চালাতে না পারে, আজ গোটা দল ভয়ে কাঁপছে কেন?” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “তৃণমূলের মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক আর যাই হোক, তৃণমূলের মুখ নয়।”
আই-প্যাক প্রসঙ্গেও কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আই-প্যাক ব্যাপারটা খুবই গোলমেলে। সেটা খায় না মাথায় দেয় বলা মুশকিল। এই মুহূর্তে দলকে টেনে তোলার জন্য একটা মহাবলি প্রয়োজন।” তাঁর আরও দাবি, নেতৃত্ব পরিবর্তনের জন্য তাঁরা আগে অনুরোধও করেছিলেন, কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হয়নি।
নিজের পরিবারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত প্রসঙ্গে (Madan Mitra) মদন মিত্র বলেন, “রাজনীতি একটা জিনিস, ব্যক্তিগত জীবন আরেকটা জিনিস। এজেন্সি ডাকলে আমরা সহযোগিতা করব। এর সঙ্গে আজকের এই যোগদানের কোনও সম্পর্ক নেই।”
অন্যদিকে, নতুন শিবিরের বিরোধী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, দলের সম্পদ কোনও ব্যক্তির জন্য নয়, কর্মীদের জন্য ব্যয় হওয়া উচিত। তিনি বলেন, “দল প্রকাশ করুক, এত সুদ পায় সেটা কোন কর্মীর জন্য ব্যয় হয়। আমাদের লড়াই ইন্ডিভিজুয়াল কাল্টের বিরুদ্ধে। একটা দলের সুদের টাকা কেন একজন ব্যক্তি নিজের স্বার্থে ব্যবহার করবে? হেলিকপ্টার, শেল কোম্পানি কেন?” তাঁর কথায়, বর্ষীয়ান নেতা (Madan Mitra) মদন মিত্রের যোগদানে তাঁদের “কালেকটিভ আরও শক্তিশালী হলো।”
ঝাড়গ্রামে CIF ক্যাম্প থেকে আচমকা গুলি, গুরুতর জখম দুই বালি খাদান কর্মী












hi!,I really like your writing very a lot! percentage we be in contact extra about your article on AOL? I require a specialist in this space to unravel my problem. May be that’s you! Taking a look forward to look you.