রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Mamta Banerjee: প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগে বিজেপিকে তুলোধোনা মমতার, কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

Mamta Banerjee
---Advertisement---

প্রথমে বাম, তারপর বিজেপি। আর এবার দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল তৃণমূল (Mamta Banerjee) । ১৭ মার্চ, মঙ্গলবার বিকেলে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সীকে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে বিধানসভা ভোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তালিকা ঘোষণার আগেই বিজেপিকে তুলোধোনা করতে ছাড়লেন না মমতা।

এদিন তালিকা ঘোষণার আগে বাংলার মানুষকে শুভেচ্ছা জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে তৃণমূল নেত্রী বলেন, “এত ভয় পাচ্ছেন কেন? আপনাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। গ্যাসের সঙ্কট না করে, স্কুলে সঙ্কট না করে…লড়াইতে আসুন। রাজনৈতিক লড়াইতে আসুন।” তিনি আরও বলেন বিজেপি ব্রিলিয়ান্ট খেলা খেলছে। মুখ্যসচিব, এসপি,ডিজি সবাইকে রাতারাতি বদল করে দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে উদ্ধৃতি দিয়ে ‘চুন চুনকে’ সব পদাধিকারীদের বদল করছে।

মমতা বলেন, বাংলার মানুষ এসব সহ্য করবে না। নোটবন্দি, SIR এর প্রসঙ্গ টেনে তিনি মানুষের হয়রানির কথা উল্লেখ করেন। তাছাড়া বিজেপির ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার কথা উল্লেখ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বললেন ঈদের আগে এইসব রদবদলের ঝামেলা করে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। বিজেপি আদলে একটি মহিলাবিরোধী, সংখ্যালঘুবিরোধী দল।

ছাব্বিশের নির্বাচন প্রসঙ্গে মমতা বলেন, “এটা বাঙালির অস্মিতা রক্ষার লড়াই। এটায় দিল্লি-কা-লাড্ডু জিতবে না, বাংলার মা-মাটি-মানুষ জিতবে।” পাশাপাশি সাংবাদিক বৈঠক থেকে প্রধানমন্ত্রীকেও নিশানা করেন মমতা। তিনি বলেন, যাই করুক কিছু যায় আসে না, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে ২২৬টির বেশি আসন পাবে তৃণমূল কংগ্রেস।
মমতা বলেন, “আমরা রাজ্যে ১০০ টিরও বেশি স্কিম চালাচ্ছি। আমরা কাজ করি। যারা বলে, তারা আর কাজ করে না।”

এরপরই এবারের নির্বাচনের জন্য ২৯১ টি আসনে প্রার্থী তালিকা(Mamta Banerjee) ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে অনীত থাপার দল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা (বিজিপিএম)-কে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment