নন্দীগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের রেলযাত্রার স্বপ্ন এবার পূরণ হতে চলেছে। আগামী ২০২৭ সালের মার্চ মাসের মধ্যে নন্দীগ্রাম থেকে দেশপ্রাণ পর্যন্ত প্রায় ১৮ কিলোমিটার রেলপথের কাজ শেষ করার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুধু ঘোষণা নয়, নন্দীগ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজেই প্রথম ট্রেনে উঠবেন বলেও জানিয়েছেন। (Nandigram News)
নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের আশা, রেল চালু হলে চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা এবং যাতায়াত—সব ক্ষেত্রেই সুবিধা বাড়বে।
জমির জট কাটতেই গতি প্রকল্পে
নন্দীগ্রামের এই রেল প্রকল্পের ঘোষণা হয়েছিল ২০০৯ সালে। কিন্তু নানা কারণে বারবার থমকে যায় কাজ। জমি নিয়ে জটিলতার কারণে প্রকল্পটি দীর্ঘদিন আটকে ছিল। শুভেন্দুর দাবি, মাত্র ছয় একর জমির জন্য আগের সরকার প্রকল্পের কাজ আটকে রেখেছিল। নতুন সরকার উদ্যোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই সাড়ে তিন একর জমি রেলের হাতে তুলে দিয়েছে। বাকি জমিও দ্রুত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, আগামী মার্চের মধ্যেই কাজ শেষ হবে। নন্দীগ্রাম বটতলা স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠে বাজকুল-দেশপ্রাণে গিয়ে নামবেন তাঁরা। হরিপুর রেল স্টেশন নিয়েও কাজ এগোচ্ছে বলে জানান তিনি। (Nandigram News)
চিকিৎসা ও পর্যটনে বাড়বে সুবিধা
রেল চালু হলে নন্দীগ্রাম থেকে তমলুক এবং দীঘায় যাতায়াত অনেক সহজ হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। গুরুপদ ভূঁইয়া নামে রামচকের এক বাসিন্দার কথায়, চিকিৎসার জন্য তমলুক বা ভুবনেশ্বর AIIMS যেতে এখন গাড়ি ভাড়া করতে হয়। এতে খরচও অনেক বেশি। রেল চালু হলে সেই সমস্যা কমবে। এবং আর এক বাসিন্দা বলাইলাল জানা বলেন, শুভেন্দু যা বলেন, তা করে দেখান। মার্চে ট্রেন চালুর ঘোষণা করেছেন। তাই সেই দিনটির অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা।
রেল যোগাযোগ চালু হলে দীঘার মতো পর্যটনকেন্দ্রে নন্দীগ্রামবাসীর যাতায়াতও সহজ হবে বলে আশা স্থানীয়দের। (Nandigram News)
আরও পড়ুন :- ভারত-চিন-আমেরিকা ‘দায়ি’, ক্ষতিপূরণের হিসেব নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জে যাচ্ছে নেপাল












Hello, just wanted to say, I liked this post.
It was inspiring. Keep on posting!