কাউকেই যেন রেয়াত না করা হয়। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যেন দেওয়া হয়। এক্ষেত্রেও ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ কার্যকর হোক। বারুইপুর কাণ্ডে নির্যাতিতা পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সংবাদমাধ্যমের সামনে এমনটাই জানালেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি (Nawshad Siddique)।
নওশাদ বলেন, “বিজেপি আসার আগে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে এতো কথা বলল, তাহলে এখন মহিলারা কেন নিরাপদ নন। এটা রাজ্য সরকারকে ভাবতে হবে। এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক যাতে ভবিষ্যতে কোনও মহিলার দিকে কেউ কুনজরে না তাকাতে পারে। কেউ যেন ছাড় না পায়। জিরো টলারেন্স হোক। রাজ্যের মানুষ ও বারুইপুরের মানুষ সরকারের পাশে থাকবে। প্রশাসনকে আরও নজরদারি চালাতে হবে।”
বিজেপিকে তোপ দেগে নওশাদ (Nawshad Siddique) আরও বলেন, “ভরসা ইন ভয় আউট শ্লোগান দিয়ে বিজেপি এসেছে। কিন্তু আমরা এখন দেখছি দু’মাস পার হতে না হতেই আমাদের রাজ্যে ধর্ষণের মতো ৫-৭টা ঘটনা ঘটল। পুলিশের নিক্রিয়তা রয়েছে। বারুইপুরে ঘটনায় সাধারণ মানুষ সিসিটিভি দেখে যখন অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে পুলিশের তুলে দেয়, তখন বিজেপি নেতারা তৃণমূলের কায়দায় তাকে আবার ছাড়িয়ে নিয়ে চলে যায়। ফলে জনরোষ তৈরি হয়। গোটা ঘটনাটাই পুলিশের গাফিলতির জন্য হয়েছে। সেই সময় কর্মরত যেসব পুলিশ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন তাঁদের সকলকে সাসপেন্ড করা দরকার।”
গতকাল নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল ও বামেরা। আজই বারুইপুর যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দেখা করবেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে। ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে মহিলা কমিশনের তরফে। ঘটনার পর কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তদন্তের অগ্রগতি কতদূর, সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে কমিশনের তরফে। রাজ্যের ডিজির কাছে আগামী ৭ দিনের মধ্যে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের তদন্তে ধৃত প্রভাস এবং দিবাকরকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আনন্দ সর্দারকে আজ বারুইপুর আদালতে পেশ করানো হবে।









