পুজোয় আর VIP গেট তৈরি করা যাবে না। চোরবাগান বিপর্যয় থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এই বিপর্যয়ের পর এবার প্রায় সমস্ত বড় পুজোতেই ভিড় নিয়ন্ত্রণে জোর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ভবানী ভবনে জরুরি বৈঠক শেষে এমনটাই জানালেন তিনি। পাশাপাশি তিনি এও জানান, পুজোর মধ্যে দর্শনার্থীদের অসুবিধা না করে যতগুলি বাড়িতে যাওয়া সম্ভব তিনি যাবেন। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন। এর পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তেরও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী (suvendu adhikari)।
suvendu adhikari: মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন মুখ্যমন্ত্রী
মুখ্যমন্ত্রী (suvendu adhikari) এদিন বলেন, “ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ২৫ জনকে বাঁচানো গেছে। মৃতদের শেষকৃত্য পর্যন্ত সঙ্গে থাকবেন সরকারি অফিসাররা।” মৃতদের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, “দুর্ঘটনা থেকে যা শেখার তা শিখব। মণ্ডপের দায়িত্বে থাকা অস্থায়ী হোমগার্ডদের লিস্ট চেয়েছি। বৃষ্টির সময় ওরা দড়ি ফেলে চলে যাওয়াতেই সবাই ভিতরে ঢুকে যায়। ওরা কেউ বাংলা বুঝতে পারছিল না, আমি লিস্ট চেয়েছি। পেলে অনেকটা বোঝা যাবে।”
তদন্তে SIT
নিরপেক্ষ অবস্থানের স্বার্থে বিশেষ তদন্তকারী দল বা SIT-এ কলকাতা পুলিশ, দমকল এবং কলকাতা পুরসভার প্রতিনিধি রাখা হচ্ছে না বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রবিবার তিনি জানান, “SIT পুলিশকে বাইরে রেখে তদন্ত করবে। যা রিপোর্ট দেবে তা আমি তুলে ধরব সবার সামনে। আগের কোনও সরকার এমনটা করেনি।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দুটো লেন হলে হয়তো সমস্যা হতো না। একটা লেন ছিল বলে সবাই ভিতরে ঢুকে যায় এবং ভিতরে জায়গা ছিল না”।
চোরবাগান বিপর্যয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাঠগড়ায় অস্থায়ী হোমগার্ডরা। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে পুজোর উদ্যোক্তা, স্থানীয় পুলিশের একাংশের ভূমিকা দেখা হচ্ছে। কিন্তু সাময়িক ভাবে নিযুক্ত হোমগার্ডদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁরা গত দু’বছর ধরে পুজোর সময়ে এই দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। তাঁদের নামের তালিকা চাওয়া হয়েছে।






