কথায় বলে, বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর। সেই বিশ্বাসকে ভর করেই দেড়শো বছর ধরে পুরুলিয়ার নদীয়াড়া গ্রামের বাসন্তী ঠাকুরের পূজোর আয়োজন। সেখানকার লোককথা বলছে, গ্রাম-সহ লাগোয়া এলাকায় বসন্ত রোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল। সেই আতঙ্কে গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করেন মানুষজন। সেই সংকটের সময় এক সাধু স্বপ্নাদেশে পান। গ্রামে বাসন্তী পুজো করলে বসন্ত রোগ নিরাময় হবে। সেই সন্ন্যাসীর পরামর্শ মেনেই গ্রামে শুরু হয় মায়ের আরাধনা। কথিত, এরপর থেকে ধীরে ধীরে গ্রামে রোগের প্রকোপ কমতে থাকে, সুস্থ হয়ে ওঠেন মানুষ। সে খবর পেয়ে নিজের গ্রামে ফিরে আসেন নদীয়াড়া গ্রামের মানুষজন। (Nadiyara Basanti Puja)
সেই থেকেই প্রতি বছর নিয়ম ও নিষ্ঠা মেনে মায়ের পূজো অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত চারদিন ধরে পুরনো রীতিনীতি মেনে গ্রামের মানুষজন মেতে ওঠেন এই পুজোয়। বাসন্তী পুজো উপলক্ষে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যাত্রাপালা, ভক্তিমূলক গান সহ নানা অনুষ্ঠানে মধ্য দিয়ে পুজোর দিনগুলিতে মেতে ওঠে গোাটা নদীয়াড়া। (Nadiyara Basanti Puja)
শুধু গ্রামের মানুষই নন, দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা এসে মায়ের পূজো দেন এবং মানত করেন। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, ভক্তিভরে মা-কে ডাকলে সকল মনস্কামনা পূর্ণ হয়। Rashifal: অহেতুক তর্ক করে সময় নষ্ট না করার পরামর্শ সিংহ রাশির জাতকদের, আপনার রাশির জন্য তেমন কোনও পরামর্শ ?
পুজোর এই চারটি দিন গ্রামে নিরামিষ খাওয়া হয়। প্রতি বছরের মতো এবছরও নদীয়াড়া গ্রামের মানুষ ভক্তি, আস্থা ও আনন্দের সঙ্গে বাসন্তী পুজোর আয়োজন করেন। এই পুজো, শুধুই ধর্মীয় আচার নয়, গ্রামের এক ঐতিহ্যেও বটে। এমনটাই দাবি গ্রামের মানুষজনের।











1 thought on “Nadiyara Basanti Puja: দেড়শো বছরের পুরনো পুরুলিয়ার নদীয়াড়ার বাসন্তী পুজো ঘিরে রয়েছে নানা লোককথা”