একই দিনে রাজ্যে জোড়া ‘এনকাউন্টার’। মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে পুলিশের গুলিতে নিহত বিজেপি কর্মী খুনে অভিযুক্ত। সিআইডি-কে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করতেই এনকাউন্টার করা হয় বলে খবর। মৃতের নাম শামাউন শেখ। নিহত অভিযুক্তের বাড়ি ফারাক্কার ঘোড়াইপাড়ায় (sujit mondal murder)।
মাস দুইয়েক আগে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের বিজেপি নেতা সুজিত মণ্ডল নৃশংসভাবে খুন হন। অভিযোগ উঠেছিল শামাউন শেখের বিরুদ্ধে। খুনের পর বিজেপি নেতা সুজিত মণ্ডলের দেহ মেলনি। তবে গঙ্গার ধার থেকে তাঁর পায়ের একাংশ পাওয়া গিয়েছিল। এই ঘটনায় তদন্ত নেমে পুলিশ শামাউন শেখ-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করে। সিআইডির হাতে যায় মামলাটি। তারপর থেকে জেলবন্দি ছিলেন শামাউন (sujit mondal murder)।
উল্লেখ্য, বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডলের দেহাংশ উদ্ধারের পর ডিএনএ পরীক্ষা করেছিল পুলিশ। সেই পরীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসার পরেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ডিএনএ রিপোর্টের সঙ্গে এনকাউন্টারের সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
এদিকে, সুজিত মণ্ডল খুনকাণ্ডের তদন্তভার সিআইডির হাতে যাওয়ার পর মঙ্গলবারই সামশেরগঞ্জে পৌঁছয় বিশেষ তদন্তকারী দল। সিআইডির এসপি তাপস মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আধিকারিকরা প্রথমে ধুলিয়ানের ভুটু মার্কেটের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে ফারাক্কার ফিডার ক্যানেল এলাকা ঘুরে দেখেন তাঁরা। এরপর সুজিতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন তদন্তকারীরা।
গত ২৮ অগস্ট রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছিলেন সুজিত মণ্ডল। পরে তাঁর দেহাংশ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর প্রশাসনিক স্তরে রদবদল করা হয় এবং তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় সিআইডির হাতে। মঙ্গলবার ‘এনকাউন্টার’-এর মতো ঘটনা ঘটল।










