দুর্গাপুজোয় চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর সতর্ক নবান্ন। আসন্ন কালীপুজো ও ছটপুজোকে ঘিরে নিরাপত্তা বাড়ানো উদ্যোগ নিল রাজ্য প্রশাসন। দুই উৎসবে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে নবান্নে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। (Chorbagan Incident) বড় পুজো মণ্ডপে ভিড় সামলানো থেকে শুরু করে ছটপুজোর ঘাটে নিরাপত্তা, একাধিক বিষয় নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। নবান্ন সূত্রে খবর, বুধবার বিকেল ৪টেয় নবান্ন সভাঘরে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হবে। ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দেবেন বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। কালীপুজো ও ছটপুজোর প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখাই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। (Chorbagan Incident)
বারাসত, নৈহাটি ও কৃষ্ণনগরে বিশেষ নজর
কালীপুজোর সময় বারাসত, নৈহাটি এবং কৃষ্ণনগরের মতো এলাকায় প্রচুর মানুষের ভিড় হয়। সেই ভিড় সামলাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার উপর জোর দিচ্ছে প্রশাসন। বড় মণ্ডপগুলিতে প্রবেশ ও বেরনোর পথ নির্দিষ্ট রাখা, পর্যাপ্ত আলো এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার মতো বিষয় নিয়ে নির্দেশিকা জারি হতে পারে। (Chorbagan Incident)
ছটপুজোর ঘাটেও বাড়বে নজরদারি
ছটপুজোর সময় ঘাটগুলিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। তাই ঘাটগুলিতে নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত আলো এবং বিপর্যয় মোকাবিলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হবে। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন ও পুলিশের মধ্যে সমন্বয়ের উপরও গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।
চোরবাগান কাণ্ডে ৩১ অক্টোবর থেকে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ
অন্যদিকে, চোরবাগান কাণ্ডের তদন্তেও গতি আনতে উদ্যোগী বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট (SIT)। সোমবার রাইটার্স বিল্ডিংয়ে কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতীর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের সিটের প্রথম বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশের সিনিয়র আধিকারিকরা। বৈঠক শেষে অনিন্দিতা রায় সরস্বতী জানান, কীভাবে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর, শনিবার থেকে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। তদন্ত কতটা এগিয়েছে, সে বিষয়ে এখনই বিস্তারিত জানাতে চাননি তিনি। তদন্ত চলছে বলে জানান সিটের প্রধান। (Chorbagan Incident)










