[ছবি:এক্স]
তারাতলার নির্মীয়মাণ গোডাউন ধসের দু’দিন পরও থামেনি উদ্ধার অভিযান। (Taratala Incident) শুক্রবার সকালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫। বুধবার থেকে শুরু হওয়া উদ্ধারকাজে এখনও পর্যন্ত মোট ৩৩ জনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে প্রশাসনের আশঙ্কা, ভেঙে পড়া কংক্রিট ও লোহার বিমের নিচে এখনও কয়েকজন শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন। SSKM হাসপাতালে বর্তমানে ১৮ জন আহত শ্রমিক চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
Deeply pained and saddened by the tragic loss of lives due to the collapse of an under-construction warehouse building near Brace Bridge in Taratala, where several workers got trapped beneath the debris. So far 21 people have been pulled out of the collapsed structure, out of… pic.twitter.com/Hq9vZhg5AI
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) June 24, 2026
বুধবার দুপুরে তারাতলার বি-২ ট্রান্সপোর্ট ডিপো রোডের নির্মীয়মাণ গোডাউনের ছাদ ধসে একাধিক শ্রমিক চাপা পড়েন। (Taratala Incident) তারপর থেকেই সেনা, NDRF, দমকল, পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্সের যৌথ বাহিনী যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। লোহার ভারী বিম কেটে এবং বিশাল কংক্রিটের স্ল্যাব সরিয়ে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের খোঁজ চলছে।
আরও পড়ুন :- তারাতলা গোডাউন বিপর্যয়ে মৃত বেড়ে ১১, গ্রেফতার ৫; মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
(Taratala Incident) বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও দু’টি দেহ উদ্ধার হয়। তবে এখনও তাঁদের পরিচয় জানা যায়নি। অন্যদিকে শুক্রবার ভোরে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও দুই শ্রমিক—মন্নু কুমার (১৯) এবং গণেশ কালিন্দীর (৪৫) মৃত্যু হয়। মন্নু কুমার বিহারের মুঙ্গেরের বাসিন্দা ছিলেন। দুর্ঘটনার পর তাঁকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও অস্ত্রোপচারের পর শেষরক্ষা হয়নি। এর আগে একই দুর্ঘটনায় তাঁর ভাই ঘি কুমারের মৃত্যু হয়েছে, আর তাঁদের বাবা এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এখনও পর্যন্ত (Taratala Incident) মৃতদের মধ্যে রয়েছেন কৃষ্ণ চৌধুরী (৩০), রোহিত চৌধুরী (৪০), রাহুল চৌধুরী (১৭), চন্দ্রমা চৌধুরী (৬০), পাপ্পু রজক (৪০), আসগর হোসেন (৫৫), সাহিল সর্দার (১৯), ঘি কুমার (১৭), হাসান ইমাম (৪৪), গণেশ কালিন্দী (৪৫), নবীন সিং (৪৪), মন্নু কুমার (১৯) এবং স্বপন মণ্ডল (৫৩)। এছাড়াও উদ্ধার হওয়া আরও দু’টি দেহের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ধ্বংসস্তূপ পুরোপুরি সরিয়ে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে। রাজ্য সরকার মৃত ও আহতদের পরিবারের জন্য আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছেন। একইসঙ্গে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তও জোরদার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন :- বৃষ্টি হলেও গরম কমছে না দক্ষিণবঙ্গে, উত্তরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস










1 thought on “তারাতলা বিপর্যয়ে মৃত বেড়ে ১৫, দু’দিন পরও ধ্বংসস্তূপে চলছে উদ্ধার অভিযান”