ফের অশান্ত বালুচিস্তান। এবার পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালাল বালোচ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট’-এর মহিলা ব্রিগেড। পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর কনভয়ে হামলা চালায় তাঁরা। হামলার ঘটনাটি স্বীকার করেছে এই সংগঠনটি। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, অতর্কিত এই সশস্ত্র অভিযানে মৃত্যু হয়েছে অন্তত নয়জন পাকিস্তানি সেনা সদস্যের। পাশাপাশি একটি ভিডিয়োও প্রকাশ করেছে এই সংগঠনটি। যা ঘিরে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য (pakistan convoy)।
pakistan convoy: অভিযানের ভিডিয়ো প্রকাশ
ভিডিয়োটিতে দেখা যাচ্ছে বালুচিস্তানের তুরবত এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, বিতর্কিত চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর বা সিপিইসি (CPEC) জাতীয় সড়কের ওপর হামলা চলানো হয়। বিএলএফ-এর সদ্যগঠিত মহিলা শাখা ‘করিমা আর্মড অ্যাসল্ট ডিভিশন’ (কেএএডি)-এর সদস্যরা মহিলা কমান্ডারের নেতৃত্বে এই অভিযানের সমস্ত পরিকল্পনা সাজানো হয়। তারপরই পাক সেনার কুইক রেসপন্স ফোর্সের তিনটি গাড়ির কনভয়কে লক্ষ্য করে হামলা চালায় এই মহিলা বাহিনী। গুলির বৃষ্টি হতে থাকে পাকিস্তানের কনভয়ের উপর (pakistan convoy)।
ধ্বংস পাক সেনাবাহিনীর একাধিক গাড়ি
‘বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট’-এর মুখপাত্র মেজর গোয়াহরাম বালোচ জানান, অতর্কিত এই হামলায় পাক সেনাবাহিনীর একাধিক গাড়ি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। মহিলা ব্রিগেডটির অপারেশনের পর ‘কুরবান ইউনিট’তাঁদেরকে নিরাপত্তা দিয়ে সরিয়ে আনে। তবে সেনা জওয়ানদের পালটা গুলিতে কুরবান ইউনিটের এক বিদ্রোহী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে বলেও স্বীকার করেছে তারা।
উল্লেখ্য, ‘বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট’এর এই মহিলা ইউনিটের নাম, ‘করিমা আর্মড অ্যাসল্ট ডিভিশন’। প্রয়াত বিশিষ্ট বালোচ অধিকারকর্মী করিমা বালোচের স্মরণে এই ইউনিটের নাম করণ করা হয়েছে। ২০২০ সালে কানাডায় তাঁর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছিল। তবে মহিলা সদস্যদের সশস্ত্র একেবারে সম্মুখ সমরে আক্রমণ পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম। এদিকে একই দিনে বালুচিস্তানের ডেরা বুগতি ও কালাত এলাকাতেও পৃথক হামলায় সরকারি পরিকাঠামো এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে নিশানা করেছে অন্যান্য বালোচ বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলি।












