এবার আরও তেড়েফুঁড়ে উঠল আমেরিকা। ইরানের (Iran) উপরে ভয়ঙ্কর হামলা চালালো আমেরিকা। জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাব দিল আমেরিকা। বৃহস্পতিবার ভোরে ইরানের বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে,“মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের গতকালের হামলার চেষ্টা করায় এই হামলাগুলি তাঁদের জোরালো জবাব।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড এই “শক্তিশালী” হামলার অভিযান চালায়। প্রায় দুঘণ্টা ধরে চলে এই হামলা। ৫ দিনের যুদ্ধবিরতির পর এই হামলার কারণে নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে (Iran)।
Iran: যুদ্ধে কী তবে এবার নতুন মোড়?
সূত্রের খবর, গত বুধবার জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমানঘাঁটি এবং সেন্টকমের কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য করে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এই হামলার দায় সরাসরি স্বীকার করেছে ইরান। একই সময়ে আইআরজিসি সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার অভিযোগে হরমুজ প্রণালীতে তিনটি আন্তর্জাতিক তেলবাহী ট্যাংকারেও অভিযান চালায়।
এই ঘটনার পরই হোয়াইট হাউস থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেন, “আমরা তাদের ওপর খুব কঠিন আঘাত আনতে চলেছি”। এর কিছু ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা আক্রমণ শুরু করে আমেরিকা।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সূত্রের খবর, পিরানশাহর সীমান্ত এলাকায় আমেরিকার হামলার খবর পাওয়া গিয়েছে। এর আগে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছিল, একটি ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিহীন এলাকায় পড়েছে এবং এতে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এর আগে জর্ডানের সেনাবাহিনী জানিয়েছিলেন, তারা ইরানের দিক থেকে আসা পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্রকে প্রতিহত করেছেন। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস দাবি করেছে, তারা সেখানে মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল।












After study a few of the blog posts on your website now, and I truly like your way of blogging. I bookmarked it to my bookmark website list and will be checking back soon. Pls check out my web site as well and let me know what you think.