সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। এই আবহেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে কটাক্ষ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। পাশাপাশি ফলতা উপনির্বাচনে রাজনৈতিক কর্মীদের ভূমিকা, মন্ত্রিসভা নিয়ে জল্পনা এবং গোমাংস ইস্যুর মতো একাধিক বিষয়েও মন্তব্য করেন শমীক। (Shamik Bhattacharya)
গত ১৫ মে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় রাজীব সরকার নামে এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে হুমকি দেওয়া এবং বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক। এরপর ১৮ মে সেই এফআইআর খারিজের দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। তবে বৃহস্পতিবার হাই কোর্ট তাঁর আবেদন খারিজ করে জানিয়ে দেয়, এই মামলার তদন্ত চলবে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি এবং রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। এদিন তিনি বলেন, “আমরা তো বলেছিলাম, প্রয়োজন হলে গ্রিন করিডোর করে দেব, উনি গিয়ে একবার অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে আসুন। উনি খুবই ব্যাকুল ছিলেন অমিত শাহকে দেখার জন্য।” (Shamik Bhattacharya)
ফলতা উপনির্বাচন নিয়েও মন্তব্য করেন শমীক। তাঁর দাবি, ভোটের দিন তৃণমূলের কর্মীদের তেমন সক্রিয়তা চোখে পড়ছে না। তিনি বলেন, “বিজেপির পতাকা খোলার লোক রাস্তায় নেই, আবার তৃণমূলের পতাকা লাগানোর লোকও নেই।”
জেলা সফরে মুখ্যমন্ত্রী, দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন শুভেন্দু অধিকারী
মন্ত্রীসভা নিয়ে জল্পনার প্রসঙ্গ উঠতেই শমীক ভট্টাচার্য জানান, এই বিষয়ে আপাতত কোনও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাঁর কথায়, “আমার বা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আগামী কয়েকদিনে এ বিষয়ে কোনও আলোচনার সম্ভাবনা নেই। দিল্লিতে এসে সেটাই জানতে পারলাম।”
এদিন হুমায়ুন কবীরের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের গোমাংস খাওয়া বন্ধ করার দাবিতে আন্দোলনের প্রসঙ্গও ওঠে। সেই বিষয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “কে কী খাবেন, সেটা ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিষয়। স্বাধীন দেশে যে কেউ নিজের ইচ্ছেমতো খাবার খেতে পারেন, কেউ বাধা দিতে পারে না। তবে সরকার কোনও বেআইনি স্লটার হাউস চলতে দেবে না।” (Shamik Bhattacharya)










1 thought on “‘অমিত শাহকে দেখার জন্য অভিষেককে গ্রিন করিডোর বানিয়ে দিতাম’ কটাক্ষ শমীকের”