তিনি বাড়ি ফিরলেন, তবে কফিনবন্দি অবস্থায়। যোধপুরে মৃত্যু নদিয়ার শান্তিপুরের ভারতীয় সেনা জওয়ান কানাই সরকারের। মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন পরিবারের সদস্যরা। শোকের ছায়া গোটা এলাকাতে। সোমবার সকালে শান্তিপুর থানার অন্তর্গত ডোমকিরা নিমতলার বাসিন্দা কানাই সরকারের কফিনবন্দি দেহ আসে বাড়িতে। চোখে জল নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায় প্রতিবেশীদের (Indian Army)।
কী কারণে মৃত্যু?
সূত্রের খবর, রাজস্থানের যোধপুরে কর্মরত ছিলেন কানাই সরকার। জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে প্রতিদিনের মতো ডিউটি করে নিজের ঘরে শুয়ে পড়েছিলেন। এরপরে সকালে এক ব্যক্তি তাঁর ঘরে চা দিতে গেলে তিনি দেখেন, কানাইবাবু আর কোনও সারা শব্দ দিচ্ছেন না। এরপর তাঁর শারীরিক অসুস্থতা বুঝতে পেরে তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে এক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয় (Indian Army)।
শান্তিপুরের বাড়িতে কফিনবন্দি কানাই সরকার
দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে ভারতীয় সেনায় কর্মরত ছিলেন। আজ তার কফিনবন্দি দেহ সহকর্মীরা বাড়িতে নিয়ে আসেন। জওয়ানের দেহ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। হাজার হাজার মানুষ তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর বাড়িতে আসেন। জাতীয় পতাকা ও ফুলে মুড়ে ফেলা হয় কফিন। সেনাবাহিনীর তরফে গান স্যালুট দিয়ে সম্মান জানানো হয়।
মৃত জওয়ানের বৌদি বলেন, “আমার দেওরের সঙ্গে একই জায়গায় চাকরি করতেন হুগলির বলাগড়ের এক ব্যক্তি। তিনিই প্রথম ফোনটা করেছিলেন। তিনি বলেন সকালে ডাকাডাকি করলেও সারা পাওয়া যায়নি। পার্শ্ববর্তী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে।”
পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী আধিকারীকের তরকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার অন্য কোনও কারণ নেই। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বাড়িতে কানাইবাবুর স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানও রয়েছেন। তাঁরাও কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। তাঁদের একটাই কথা, বরাবরের পরিশ্রমী মানুষটার এইভাবে চলে যাওয়া তাঁরা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছেন না।









