আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলায় জেলায় অভিযান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। অন্যদিকে পশ্চিম বর্ধমানের অন্ডালে ভোর থেকে তল্লাশি শুরু করল ED। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ইডির একটি দল সকাল ৮টা ১৫ মিনিট নাগাদ রাম মল্লিক নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। সূত্রের খবর, রাম মল্লিকের বাবা দিলীপ মল্লিক ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ECL)-এর প্রাক্তন কর্মী। বর্তমানে তিনি অবসরপ্রাপ্ত। বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে চলে তল্লাশি অভিযান। তবে ঠিক কোন কারণে তল্লাশি তা নিয়ে সংবাদমাধ্যের সামনে মুখ খোলেননি তদন্তকারীরা (Ed Raids)।
স্থানীয় সূত্রের খবর, ইডির আধিকারিকরা বাড়িতে থাকা আর্থিক নথি, সম্পত্তি সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং ব্যাঙ্ক লেনদেনের বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখেছেন। তদন্তের স্বার্থে বেশ কিছু নথি ও রেকর্ডও সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই অভিযানের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত ED-র পক্ষ থেকে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে অনুমান, আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত তদন্তের সূত্র ধরেই এই অভিযান (Ed Raids)।
তবে এই নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। ECL-এ কর্মরত থাকার সময় কোনও আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর যোগ ছিল কি না, সেই দিকটি খতিয়ে দেখা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে একই সঙ্গে কর্মসূত্রে রাজনৈতিক মহলের কোনও ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের সূত্রও তদন্তের আওতায় এসেছে কি না, তা নিয়েও একাধিক জল্পনা রয়েছে। যদিও ED-র তরফে কোনও কিছুই স্পষ্ট করা হয়নি। ইডির অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সুভাষ নগর এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। তদন্ত চলাকালীন গোটা এলাকা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়। বাড়ির বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়।
দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকলেও উত্তরে সতর্কতা, বাড়বে দুর্যোগ










1 thought on “সাতসকালে দরজায় কড়া নাড়ল ED, অন্ডালের সুভাষ নগরে প্রাক্তন ECL কর্মীর বাড়িতে হানা”