[ছবি:এক্স]
(Ram Mandir Donation Theft) অযোধ্যার রাম মন্দিরে অনুদান চুরির ঘটনায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ না তুললেও, প্রশাসনিক গাফিলতি ও দুর্বল তদারকির জন্য প্রাক্তন ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইকে পরোক্ষভাবে দায়ী করেছে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT)। তদন্তে উঠে এসেছে নিয়োগে অনিয়ম, শিথিল নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আর্থিক নজরদারির একাধিক বড় ত্রুটি।
(Ram Mandir Donation Theft) অযোধ্যার রাম মন্দিরে অনুদান চুরির অভিযোগে গঠিত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT)-এর বিস্তারিত তদন্ত রিপোর্টে প্রাক্তন শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অবহেলা ও পর্যাপ্ত নজরদারির অভাবের অভিযোগ উঠে এসেছে। যদিও রিপোর্টে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবুও মন্দিরের দৈনন্দিন প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় গাফিলতির জন্য তাঁকে সম্পূর্ণভাবে দায়মুক্ত করা যায় না বলেই মত তদন্তকারীদের।
সূত্রের খবর, (Ram Mandir Donation Theft) রিপোর্টে প্রাক্তন ট্রাস্টি অনিল মিশ্রকে নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP)-এ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি দায়ী করা হয়েছে। SIT-এর মতে, নিয়োগের নিয়ম শিথিল করা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রোটোকলে ছাড় দেওয়ার ফলেই আর্থিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বড়সড় ফাঁক তৈরি হয়।
(Ram Mandir Donation Theft) তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া অধিকাংশ অভিযুক্ত ছিলেন আউটসোর্সিং সংস্থার মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া হাউসকিপিং কর্মী। অথচ তাঁদেরই মন্দিরের অনুদানের অর্থ গণনার মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার বদলে ট্রাস্টের কয়েকজন কর্তাব্যক্তির সুপারিশে তাঁদের নিয়োগ করা হয়।
৯০ মিনিটের টানা হামলা ইরানে, হরমুজ ঘিরে চাপ বাড়াল আমেরিকা
(Ram Mandir Donation Theft) রিপোর্টে রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু যাদবের ভূমিকাও বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কোনও আনুষ্ঠানিক প্রশাসনিক পদে না থেকেও তিনি মন্দির পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন এবং অনুদানের বাক্সের চাবিও তাঁর কাছেই থাকত। এই বিষয়েও চম্পত রাইয়ের তদারকির অভাবের কথা উল্লেখ করেছে SIT.
এছাড়া ট্রাস্টের অডিট ব্যবস্থায় একাধিক ত্রুটির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে ভক্তদের দেওয়া গয়না ও মূল্যবান সামগ্রীর হিসাবরক্ষণে আরও স্বচ্ছতা আনার সুপারিশ করা হয়েছে।
SIT-এর সুপারিশগুলির মধ্যে রয়েছে— সম্পূর্ণ স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া, সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ বন্ধ, নির্দিষ্ট সময় অন্তর তৃতীয় পক্ষের অডিট, অনুদান গণনাকারী কর্মীদের নিয়মিত রোটেশন, SOP কঠোরভাবে মেনে চলা এবং কন্ট্রোল রুম ও তদারককারী আধিকারিকদের নজরদারি আরও শক্তিশালী করা।
উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশ সরকার ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে (Ram Mandir Donation Theft) তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল। SIT-এর প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতেই ইতিমধ্যে FIR দায়ের এবং মন্দির ট্রাস্টে পূর্ণকালীন CEO নিয়োগের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। বিস্তারিত রিপোর্ট জমা পড়ার পর মন্দিরের প্রশাসনিক কাঠামোয় আরও বড় সংস্কার দেখা যেতে পারে।
ভুয়ো প্ল্যানে ৩.৯০ কোটির ব্যাঙ্ক লোন জালিয়াতি, ৩ গ্রেফতার; উদ্ধার নগদ ১.৫৫ কোটি












2 thoughts on “রাম মন্দির অনুদান চুরি: SIT রিপোর্টে চম্পত রাইয়ের গাফিলতির অভিযোগ”