১৯ দিন ধরে অনশন করছেন। এর মধ্যে খাবারের এক দানাও দাঁতে কাটেননি। খাবার খাওয়ানো না গেলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। অথচ দিল্লির যন্তরমন্তরে অনশনরত সোনম ওয়াংচুককে (Sonam Wangchuk) নিয়ে বিন্দুমাত্র উদ্বেগ দেখায়নি কেন্দ্র। এটা নিয়ে এবার উষ্মাপ্রকাশ করল দিল্লি হাইকোর্ট (Sonam Wangchuk)। আদালত সাফ জানিয়ে দিল, “সোনম ওয়াংচুকের জীবন বাঁচাতে যে ধরনের চিকিৎসা-সহায়তা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করতে হবে,” আদালত আরও উল্লেখ করে, “যেকোনও নাগরিকের জীবনই অত্যন্ত মূল্যবান এবং তা রক্ষার দায়িত্ব সরকারেরই।”
বুধবার দিল্লি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন সমাজকর্মী রাকেশকুমার সাইনি ৯Sonam Wangchuk)। তিনি দাবি করেছিলেন, সোনম ওয়াংচুক অনশন না ভাঙলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর মৃত্যু হতে পারে। এবিষয়ে সরকার “সম্পূর্ণ উদাসীন ও সংবেদনহীন”।
তিনি আরও বলেন, “তাঁর ওজন ৮.৫ কেজি কমে গেছে। এর সহজ সমাধান হলো তাঁকে কোনও সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া এবং বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ তরল খাবারের মাধ্যমে জোরপূর্বক তাঁকে খাওয়ানো।”
দিল্লির যন্তরমন্তরের একা কুম্ভের মতো অনশন করে চলেছেন সোনম। বৃহস্পতিবার তাঁর অনশন পড়ল ১৯ দিনে। এদিন সোনমের চিকিৎসা সংক্রান্ত বুলেটিন প্রকাশ করেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বর্তমানে সোনমের অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
সরকারের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, “প্রতিদিন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে, যদিও চিকিৎসকরা সবসময় সরকারি প্রতিষ্ঠানের নন। কখনও কখনও বেসরকারি চিকিৎসকরাও থাকেন।”
আদালতের নির্দেশের কয়েক ঘণ্টা আগে ওয়াংচুক একটি আবেগঘন ভিডিয়ো বার্তা প্রকাশ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, অনশনরত একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিকই রয়েছে। তিনি এ-ও জানান যে, সরকারের কাছ থেকে কোনও সাড়া না পাওয়া পর্যন্ত তিনি অনশন প্রত্যাহার করবেন না।











