সিবিএসই (CBSE)-র পাঠ্যক্রমে নবম শ্রেণির স্তরে একটি নতুন ‘তৃতীয় ভাষা’ (Third Language) চালুর নীতি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ‘বোর্ড পরীক্ষার ঠিক আগে এটি শিক্ষার্থীদের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করবে’, CBSE-র পাঠ্যক্রমে নবম শ্রেণির স্তরে ‘তৃতীয় ভাষা’ চালু নিয়ে এই মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি বি ভি নাগারত্ন (CBSE Three Language)।
বৃহস্পতিবার শীর্ষ আদালতের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত অপ্রয়োজনীয়। দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার ঠিক আগের বছর অর্থাৎ নবম শ্রেণিতে উঠে নতুন একটি ভাষা শিখতে বাধ্য করা পড়ুয়াদের ওপর অহেতুক অতিরিক্ত মানসিক চাপ তৈরি করে। জওহর নবোদয় বিদ্যালয় সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বি ভি নাগারত্না এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন (CBSE Three Language)।
তামিলনাড়ুর প্রতিটি জেলায় জওহর নবোদয় বিদ্যালয় স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সেই নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছিল তামিলনাড়ু সরকার।
এই পদক্ষেপকে ‘অত্যন্ত খারাপ’ আখ্যা দিয়ে বিচারপতি নাগারত্ন মন্তব্য করেন যে, দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতির কারণে শিক্ষার্থীরা এমনিতেই পড়াশোনার চাপের মধ্যে থাকে।
হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশের বিরুদ্ধে তামিলনাড়ুর করা আপিলের শুনানিকালে বিচারপতি নাগারত্ন প্রশ্ন তোলেন যে, কেন কেবল নবম শ্রেণিতেই একটি নতুন ভাষা চালু করা হবে। এই মামলার শুনানির সময়ই কেন্দ্রের বিতর্কিত ‘তিন-ভাষা নীতি’ (Three-Language Policy)-র প্রসঙ্গটি সামনে আসে।
বিচারপতি নাগারত্না বলেন, “ভারত সরকার, দয়া করে নবম শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা রাখবেন না। সিবিএসই, আইসিএসই কিংবা যে কোনও রাজ্য বোর্ড— সব ক্ষেত্রেই দশম শ্রেণিতে বোর্ড পরীক্ষা দিতে হয় পড়ুয়াদের। আর অষ্টম শ্রেণির শেষ থেকেই ছাত্রছাত্রীদের ওপর সেই বোর্ডের পরীক্ষার চাপ ও আতঙ্ক তৈরি হতে শুরু করে।”











