বলিউডের সঙ্গীত জগতে ফের সামনে এল শিল্পীদের রয়্যালটি ও পারিশ্রমিক নিয়ে পুরনো বিতর্ক। সম্প্রতি সাইয়ারা ছবির টাইটেল ট্র্যাকের জন্য প্রাপ্য রয়্যালটি না পাওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন সঙ্গীত পরিচালক তনিষ্ক বাগচী। তাঁর দাবি, গানটির জন্য তিনি যে পরিশ্রম করেছিলেন, তার যথাযথ মূল্য আজও পাননি। এমনকি প্রায় ৮ লক্ষ টাকার রয়্যালটি তাঁর হাতে আসেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও শনিবার, ১৮ জুলাই সোশ্যাল মিডিয়ায় করা সেই পোস্টটি কিছুক্ষণের মধ্যেই মুছে দেন তনিষ্ক। (Saiyaara Royalty Controversy)
এই বিতর্কের মধ্যেই ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান সুরকার ও গায়ক আমাল মালিক। কারও নাম না করেই তিনি লেখেন, “সঙ্গীত জগতের মানুষজন ১০ বছর দেরিতে ঘুম থেকে উঠেছেন। ২০১৫ সালে যখন আমি একা এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করছিলাম, তখন সবাই কোথায় ছিলেন?” আমালের এই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অনেকের মতে, তনিষ্কের অভিযোগের প্রেক্ষিতেই তিনি এই বার্তা দিয়েছেন। (Saiyaara Royalty Controversy)
তবে রয়্যালটি নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষেত্রে আমালের অবস্থান নতুন নয়। এর আগেও তিনি ২০১৫ সালের রয় ছবির জনপ্রিয় গান ‘সুরজ ডুবা হ্যায়’-এর প্রসঙ্গ টেনে শিল্পীদের আর্থিক বঞ্চনার কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন। আমালের দাবি ছিল, রণবীর কাপুর অভিনীত সেই সুপারহিট গানের জন্য তিনি মাত্র দেড় লক্ষ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন। অথচ একই গান থেকে সংশ্লিষ্ট মিউজিক লেবেল প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল বলে তাঁর অভিযোগ।
তনিষ্ক বাগচীর সাম্প্রতিক পোস্টেও একই সুর শোনা গিয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানান, সহানুভূতি আদায়ের জন্য নয়, বরং নিজের পরিশ্রম ও শিল্পীর ন্যায্য অধিকারের প্রশ্ন তুলতেই তিনি এই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন। তাঁর কথায়, এই ঘটনা গোটা সঙ্গীত শিল্পকে নতুন করে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে। দুই জনপ্রিয় সুরকারের বক্তব্য সামনে আসার পর বলিউডে রয়্যালটি বণ্টন, শিল্পীদের প্রাপ্য সম্মানী এবং মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির আর্থিক কাঠামো নিয়ে আবারও জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। (Saiyaara Royalty Controversy)
আরও পড়ুন :- ভক্তদের ভিড়ে হেনস্তার অভিযোগ! দেরাদুনের অনুষ্ঠানে জ্যাসমিন স্যান্ডলাসকে ঘিরে চাঞ্চল্য












