বাংলার পেসার ত্রয়ীর দাপটে ভেঙে পড়ল জম্মু ও কাশ্মীর। মাত্র ৬৩ রানে শেষ জম্মু-কাশ্মীরের ইনিংস। প্রতিপক্ষের ২০.৪ ওভারে শেষ হয়ে যাওয়া ইনিংসের রান টপকাতে বাংলা নিল মাত্র ৭.৪ ওভার। অভিমন্যু ঈশ্বরনের (৪) উইকেট হারিয়ে বাংলা হেলায় জয় তুলে নিল। নয় উইকেটে অনায়াস জয়ের ফলে বিজয় হাজারে ট্রফির পরের পর্বে যাওয়ার টিকিট পেতে বাংলা অনেকটাই এগিয়ে গেল।
বিদায়ী বছরের শেষ দিনটি গেল বাংলার পেসারদের। টস জিতে জম্মু কাশ্মীরকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন অভিমন্যু ঈশ্বরন। অফস্পিনার রোহিতের অভিষেক হলো এই ম্যাচে। কিন্তু মহম্মদ শামি, মুকেশ কুমার এবং আকাশ দীপের বোলিংয়ের দাপটে জম্মু কাশ্মীরের ব্যাটাররা কার্যত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। একটা সময় সাত রানে তিন উইকেট পড়ে গিয়েছিল। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে।

মুকেশ কুমার গত ম্যাচের পাঁচ উইকেট নেওয়ার পরে এই ম্যাচেও দলের বোলিংকে নেতৃত্ব দিলেন। মাত্র ছয় ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৬ রানে চার উইকেট নেন। পুরনো ছন্দে মহম্মদ শামি। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে জম্মু-কাশ্মীর ব্যাটারদের বেঁধে রেখেছিলেন। ছয় ওভারে ১৪ রান দিয়ে দুই শিকার তাঁর ঝুলিতে। আকাশ দীপ আট ওভারে ৩২ রানের বিনিময়ে চার উইকেট নেন।
বোলারদের তৈরি করা ভিতে ব্যাটাররা সহজেই জয় তুলে নেন। ইনিংস ওপেন করতে নেমে অভিমন্যু ঈশ্বরন দ্রুত ফিরে যান। অভিষেক পোড়েল গত ম্যাচে যেখানে শেষ করেছিলেন ঠিক যেন সেখান থেকেই শুরু করলেন। ২ ৬বলে অপরাজিত ৩০ রানের ইনিংস সাজালেন তিনটি চার এবং একটি ছক্কায়। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সুদীপ ঘরামি ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন। ২৭ বলে পাঁচটি বাউন্ডারিতে সাজানো তাঁর ইনিংস। গত চারটি ম্যাচের তিনটিতে জয়। ব্যাটারদের ধারাবাহিকতার পাশাপাশি বোলাররাও জ্বলে উঠলেন। বছরের শেষ দিনে বড় জয় বাংলার ক্রিকেটের ভালো মুহূর্ত।











