রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

‘মমতাদির প্রশ্রয়ে কনভয় চড়া নেতারা আজ কোথায়?’ ইস্তফা দিয়েই তৃণমূলকে তোপ সুশান্তর

Sushanta Ghosh-Arup Chakraborty
---Advertisement---

কলকাতা পুরসভার ১২ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সনের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সুশান্ত ঘোষ (Sushanta Ghosh-Arup Chakraborty)। বুধবার তিনি কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেন। একইসঙ্গে পুরসভার অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অপর তৃণমূল কাউন্সিলর অরূপ চক্রবর্তী।

এর আগে, বরো ৯-এর চেয়ারপার্সন দেবলীনা বিশ্বাস (Debalina Biswas) পদত্যাগ করেছিলেন। সেই আবহেই আরও দু’জনের পদত্যাগের ঘটনা কলকাতা পুরসভার অন্দরে তৃণমূল কংগ্রেসের অস্বস্তি আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিল। পদত্যাগ করার সময়ে একাধিক কারণ তুলে ধরেছিলেন দেবলীনা। তাঁর দাবি ছিল, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন সম্পত্তিতে নোটিস যাওয়া নিয়ে দলের তরফে চাপ দেওয়া হচ্ছিল তাঁকে। তাই সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। কিন্তু আজ যে দু’জন পদত্যাগ করলেন, তাঁদের ইস্তফা দেওয়ার কী কারণ, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

বুধবার পুরসভায় গিয়ে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন সুশান্ত ও অরূপ। পরে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের হাতে তা জমা দেন। পরে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, ‘‘ভোটে হারের পর ২৪, ২৫ দিনে কোনও প্রাক্তন মন্ত্রীকে দেখা যায়নি। তাঁরা জেড প্লাস, ওয়াই প্লাস নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরতেন, কেউ নেই রাস্তায়। ওদের জন্য আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ঘেঁষতে পারতাম না। ধন্যবাদ বিজেপিকে। তাঁরা আমাদের ঘরছাড়া ছেলেদের ঘরে ফেরাতে সাহায্য করেছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার দায়িত্ব, ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো। শেষতম ব্যক্তিকে ঘরে ফেরানো পর্যন্ত কাউন্সিলর পদে থাকব।”

তবে সুশান্ত ঘোষের মতো কাউন্সিলর হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন অরূপও। তিনি বলেন, ‘‘আজকের হার মেনে না নিলে বিগত নির্বাচনগুলির জয় আর জয় থাকে না, তা মিথ্যা হয়ে যায়। মানুষের রায় আগে মেনে নিতে হবে। নাহলে মানুষ ক্ষমা করবেন না। নেতা, মন্ত্রী, কেষ্টবিষ্টুরা ভেবেছিলেন, সারাজীবন পদে থাকবেন। কিন্তু এখন তাঁরা কোথায়? আজ আমি দলের একটা পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। এটা প্রতীকী প্রতিবাদ। কিন্তু ছাত্র রাজনীতি করে এসেছি। মুখপাত্র পদে কাজ চালিয়ে যাব।”


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment