হাওড়ার পিলখানার ৭ নম্বর আলম মিস্ত্রি লেন এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে হামিম ও তাঁর বাবা মইনুদ্দিন মণ্ডলের একটি জামার ট্যাগ তৈরির কারখানার খোঁজ মিলেছে। জানা গিয়েছে, প্রায় ১১ মাসের চুক্তিতে বাড়িটির দুটি ঘর ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। মাসিক ভাড়া ছিল ১১ হাজার টাকা। গত ৪-৫ দিন ধরে কারখানাটি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। (Hamim Pilkhana Factory)
জামার ট্যাগ তৈরির কাজ চলত
স্থানীয়দের দাবি, ওই কারখানায় মূলত জামার ট্যাগ প্রিন্টিংয়ের কাজ হতো। হামিম ও তাঁর বাবা ছাড়াও সেখানে আরও এক মহিলা কর্মী কাজ করতেন। তবে প্রায় দু’মাস ধরে হামিমকে এলাকায় দেখা যায়নি। কারখানা আচমকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। (Hamim Pilkhana Factory)
বাড়ির মালিকের দাবি
বাড়ির মালিক মোহাম্মদ নাঈম জানান, হামিমের বাবার সঙ্গেই ভাড়ার চুক্তি হয়েছিল। তিনি বলেন, সেখানে শুধুমাত্র জামার ট্যাগ প্রিন্টিংয়ের কাজ চলত। কারখানায় দু’জন পুরুষ ও একজন মহিলা কর্মী কাজ করতেন। হামিমের নিজস্ব সিসিটিভি ক্যামেরাও ভিতরে লাগানো ছিল। কোনও নাশকতামূলক বা বেআইনি কাজের বিষয়ে তাঁদের কোনও ধারণা ছিল না বলেই দাবি করেন তিনি।
প্রতিবেশীর বক্তব্য
স্থানীয় বাসিন্দা তানভীর আহমেদ জানান, তিনি শুধু হামিমের বাবাকে চিনতেন। তাঁদের মধ্যে শুধুমাত্র সৌজন্যমূলক সম্পর্ক ছিল। হামিম সম্পর্কে তিনি শুনেছিলেন যে, সে মিস্ত্রির কাজ করত। কখনও কারখানার ভিতরে যাননি বলেও জানান তিনি। ঘটনার কথা শুনে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একজনের কাজের জন্য পরিবারের সদস্যদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাঁর দাবি, প্রায় ১০ দিন ধরে হামিমের বাবাকেও এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। (Hamim Pilkhana Factory)
তদন্তে পুলিশ
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। বাড়ির মালিক ও এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। কারখানাটি কেন হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল, হামিম কোথায় এবং এই কারখানার কার্যকলাপের সঙ্গে অন্য কোনও বিষয় জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। (Hamim Pilkhana Factory)
আরও পড়ুন :- চড়া দামের অভিযোগে বাজারে বাজারে অভিযান প্রশাসনের, রেট চার্ট ও বিল রাখার নির্দেশ












