বিশ্বকাপের মঞ্চে গোলের লড়াইয়ের আড়ালে নাকি চলছিল আরও ভয়ঙ্কর এক ছক! আর্জেন্টিনার অধিনায়ক (Lionel Messi) লিওনেল মেসিকে লক্ষ্য করে একাধিক আত্মঘাতী বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি। পুলিশের গোপন নথি প্রকাশ্যে আসতেই সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। মেসির নিরাপত্তায় বিশ্বকাপ চলাকালীন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি ছিল বলে জানা গিয়েছে।
Lionel Messi: মেসিকে নিয়ে সরাসরি হুমকি
রিপোর্ট অনুযায়ী, FBI এবং আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা কেন্দ্রের নজরে আসে একাধিক হুমকি। ৭ জুলাই আটলান্টায় আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের আগে একটি X অ্যাকাউন্টে হুমকি দেওয়া হয়, চারটি বোমা শরীরে বেঁধে স্টেডিয়ামে ঢুকে মেসিকে উড়িয়ে দেওয়ার। এরপর ডালাস বিমানবন্দরে ফোন করে দাবি করা হয়, তিন ব্যক্তি ঘরে তৈরি বোমা ও AR-15 রাইফেল নিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে যাচ্ছে। তাঁদের লক্ষ্য ছিল পুলিশ ও ফুটবলাররা; হুমকিতে (Lionel Messi) মেসির নামও ছিল।
স্টেডিয়ামে বোমার আতঙ্ক
ম্যাচ চলাকালীন আরও একটি ফোনে স্টেডিয়ামের ডাস্টবিনে তিনটি বোমা থাকার দাবি করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ, প্রশিক্ষিত কুকুর ও নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি চালায়। তবে কোনও বিস্ফোরক উদ্ধার হয়নি।
রোনাল্ডো-এমবাপেকেও হুমকি
রিপোর্টে দাবি, বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন মেসি। নিরাপত্তাজনিত সমস্যায় রোনাল্দোও ছিলেন নজরে। হিউস্টনে তাঁর হোটেলের কাছে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার অভিযোগে একজন গ্রেফতার হন। পরে টরন্টোতেও এক ব্যক্তি তাঁর কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন।

অন্যদিকে কিলিয়ান এমবাপে অনলাইনে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হন। প্যারাগুয়েতে তাঁর প্রতিকৃতি-সহ পুতুল পোড়ানোর ভিডিয়ো ছড়ায়।
রেফারিও নিশানায়
আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের রেফারি ফ্রাঙ্কোইস লেটেক্সিয়ার হোয়াটসঅ্যাপে ৬ হাজারের বেশি হুমকি পান। তাঁর পরিবারের নিরাপত্তায় ফ্রান্সে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
২০২৩ সালে রোজারিওতে (Lionel Messi) মেসির স্ত্রী অন্তোনেলা রোকুজ্জোর পরিবারের সুপারমার্কেটেও গুলি চালিয়ে মেসিকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। নতুন তথ্য সামনে আসায় ফের প্রশ্ন উঠছে, বিশ্বতারকাদের নিরাপত্তা কি ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে?
উত্তরাখণ্ডেই পাকাপাকি ঠিকানা চান, উপহার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আবেদন পন্থের










