বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট ক্রমশ তীব্র হচ্ছে বাংলাদেশে। (Bangladesh energy crisis) পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার রাত ৮টার পর শপিং মল, বাজার ও দোকান খোলা রাখার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল সরকার। একইসঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার পর বন্ধ রাখতে হবে সমস্ত আলোকিত বিলবোর্ড। সংকটের এই আবহেই অতিরিক্ত ডিজেল চেয়ে ভারতের দ্বারস্থ হয়েছে ঢাকা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এবার কি জ্বালানি-সংকটে বাংলাদেশকে সাহায্য করবে ভারত?
Bangladesh energy crisis: রাত ৮টায় বন্ধ বাজার-মল
১২ অগস্টের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্তই শপিং মল, বাজার ও দোকান চালু রাখা যাবে। রাত ৮টার পর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে না। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সন্ধ্যা ৭টার পর সমস্ত আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি সব ধরনের সাজসজ্জার আলো ও আলোকসজ্জাও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Bangladesh energy crisis: শুধু ঢাকা নয়, দেশজুড়ে নির্দেশ
এই সিদ্ধান্ত শুধু রাজধানী ঢাকার জন্য নয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলা বা আসন্ন মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে বলা হয়েছে। নির্দেশের প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে দেশের সব শহর কর্পোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে। অর্থাৎ কার্যকর হবে দেশ জুড়েই।
কেন ভারতের কাছে ডিজেল চাইছে ঢাকা?
(Bangladesh energy crisis) এই সংকটের মধ্যেই বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা-র সঙ্গে বৈঠকে অতিরিক্ত ডিজেল চেয়েছেন। বৈঠকের পর মাহমুদ জানান, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে থাকা পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ হয় এবং সেই পথে আরও ডিজেল দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী আমদানি নিশ্চিত করতে বিদ্যমান চুক্তির বাইরে নতুন উৎস খুঁজছে ঢাকা।
দিল্লির উত্তর কী?
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ এসেছে এবং বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। তবে অতিরিক্ত সরবরাহের বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিশ্রুতি দেয়নি নয়াদিল্লি।
(Bangladesh energy crisis) এই পরিস্থিতির আরও একটি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট রয়েছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগেই প্রাক্তন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাসন থেকে প্রথম ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক করায় ভারতকে তীব্র আক্রমণ করেছিল ঢাকা। তার পরেই জ্বালানি-সংকটে ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেলের আবেদন—ফলে দুই দেশের সম্পর্কের প্রেক্ষাপটেও নতুন করে নজর পড়ছে নয়াদিল্লির সিদ্ধান্তের দিকে।
অতিরিক্ত চিনি, নুন থাকলে আলাদা বার্তা নয় কেন? FSSAI-কে কড়া ধমক সুপ্রিম কোর্টের










Real instructive and excellent structure of subject material, now that’s user pleasant (:.