মার্কিন নিষেধাজ্ঞার নতুন চাপ। ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলিকেও অর্থনৈতিক শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওয়াশিংটন। এমন পরিস্থিতিতেও ইরানে চাল রফতানি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ভারত। রফতানিকারীদের দাবি, খাদ্যপণ্যের প্রয়োজন এবং ইরানের সীমিত বিকল্প সরবরাহকারী থাকায় এই বাণিজ্য থমকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। (India Rice Exports)
ইরানের চাহিদা বাড়ছে
যুদ্ধের কারণে বাণিজ্যে নানা বাধা তৈরি হলেও ইরানে ভারতীয় চালের চাহিদা রয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তার জন্যই ইরান চাল কিনছে বলে জানিয়েছেন অল ইন্ডিয়া রাইস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অজয় ভ্যালোথিয়া। সরকারি তথ্য বলছে, গত অর্থবর্ষে ইরান ১০ লক্ষ টনেরও বেশি চাল আমদানি করেছে। আগের বছরের তুলনায় এই পরিমাণ প্রায় ১৭ শতাংশ বেশি। (India Rice Exports)
ভারত-ইরান বাণিজ্যে চাল গুরুত্বপূর্ণ
মার্চে শেষ হওয়া অর্থবর্ষে ইরানে ভারতের মোট ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের রফতানির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ছিল চাল। একই সময়ে ভারতের মোট ১১.৫ বিলিয়ন ডলারের চাল রফতানির প্রায় ৭ শতাংশ গিয়েছে ইরানে।
তৃতীয় দেশের মাধ্যমে লেনদেন
ইরানের সঙ্গে সরাসরি ব্যাঙ্ক লেনদেন এড়িয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, জার্মানি ও চিনের আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থ মেটাচ্ছেন। সম্প্রতি তুরস্কের মাধ্যমেও লেনদেন হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এই ব্যবস্থায় বড় কোনও সমস্যা হয়নি বলে জানিয়েছেন ভ্যালোথিয়া।
ওষুধ-চা রফতানিতেও নজর
ইরানে ভারত থেকে ওষুধ, চা, কলা, খাদ্যশস্য, গবাদি পশুর মাংস এবং কিছু রাসায়নিক পণ্যও যায়। রফতানিকারীদের আশা, মানবিক বাণিজ্যের আওতায় থাকায় এসব পণ্যেও নিষেধাজ্ঞার বড় প্রভাব পড়বে না।ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনের সভাপতি এসসি রালহানও জানিয়েছেন, ইরানে ভারতের রফতানি খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা নয়। তবে মানবিক কারণে কেন্দ্রের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। (India Rice Exports)
আরও পড়ুন :- আরও সুরক্ষিত WhatsApp, হ্যাকিং রুখতে বড় পদক্ষেপ সংস্থার










