ডুরান্ড কাপ ফাইনালে ইস্ট বেঙ্গল এফসির কাছে লজ্জার হারের পর সাংবাদিক সম্মেলনে আসেননি (Mohun Bagan Super Giants) মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের হেড কোচ পানাগিওতিস ডিলম্পেরিস । ফলে সেই বিপর্যয়ের পর তাঁর প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি। বুধবার মোহনবাগান মাঠে কলকাতা লিগে জর্জ টেলিগ্রাফের বিরুদ্ধে ৬-০ জয়ের দিন অবশ্য সবুজ-মেরুন সমর্থকদের অসন্তোষের আঁচ পেলেন তিনি।
Mohun Bagan Super Giants: মাঠে ছয় গোল, গ্যালারিতে ক্ষোভ
কাঁচের ঘরে বসে কলকাতা লিগের ম্যাচ দেখার সময় ডিলম্পেরিসের শরীরী ভাষা ছিল যথেষ্ট অস্বস্তিকর। এক প্রাক্তন ফুটবলারও তাঁকে ‘ফালতু কোচ’ বলে কটাক্ষ করেন। কোচ ব্যারেটোর অভিজ্ঞতাও সুখকর হল না। ফুটবলার হিসেবে ছয় গোল হজমের অভিজ্ঞতা না থাকলেও কোচ হিসেবে ডাগআউটে বসে অসহায়ের মতো দলের আত্মসমর্পণ দেখতে হয়েছে তাঁকে। ফুটবলারদের মোটিভেশনের অভাবও তাঁকে আহত করছে।
Mohun Bagan Super Giants: প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ
১৩ মিনিটে কিয়ান নাসিরির সেন্টার থেকে সুহেল ভাট গোল করে এগিয়ে দেন মোহনবাগানকে। এরপর ২৯ মিনিটে সন্দীপ মালিকের ফ্রিকিক থেকে অ্যালেক্স সাজি গোল করেন। তার মধ্যেই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে লাল কার্ড পান জর্জ টেলিগ্রাফ অধিনায়ক রনজয় সামন্ত। দশজনের জর্জকে আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ দেয়নি সবুজ-মেরুন।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের বন্যা

৪৬ মিনিটে কিয়ানের কর্নার থেকে সন্দীপ মালিক, ৫১ মিনিটে কিয়ানের শট ক্রসবারে প্রতিহত হওয়ার পর পরিবর্ত হিসেবে নামা অভিষেক সূর্যবংশী গোল করেন। ৬২ ও ৭৪ মিনিটে সায়ন এবং রবিলালের সেন্টার থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সুহেল বাট। ম্যাচে আরও অন্তত চারটি গোলের সুযোগ নষ্ট করে মোহনবাগান।(Mohun Bagan Super Giants)
লক্ষ্য সুপার সিক্স
ম্যাচের পর (Mohun Bagan Super Giants) কোচ বাস্তব রায় বলেন, ছয় গোলের জয়ের পর সুযোগ নষ্ট নিয়ে ভাবছেন না। সুহেলের গোল করার ক্ষমতার উপর তাঁর আস্থা ছিল। ম্যাচের সেরা সুহেল হ্যাটট্রিক কোচকে উৎসর্গ করেন। ফের জয়ে ফিরলেও বাস্তব রায়ের পাখির চোখ এখন সুপার সিক্সে জায়গা পাকা করা। তাই পরের ম্যাচগুলিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
ভারত জয়ের ছক জার্মান ক্লাবের, ফুটবলের বাইরে কোন বড় পরিকল্পনা করছে বায়ার্ন মিউনিখ?












