মন্দারমণির সমুদ্রে নেমে জোয়ারের উত্তাল ঢেউয়ের টানে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হলো দুই পর্যটকের। শনিবারের এই ঘটনাকে ঘিরে সৈকতজুড়ে চাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রশাসনের নজর এড়িয়ে জোয়ারের সময় সমুদ্রে স্নান করতে নামার পরই বিপত্তি ঘটে।
জানা গিয়েছে, শনিবার মন্দারমণির সমুদ্রসৈকতে বেশ কয়েক জন পর্যটক স্নান করতে নামেন। তখন সমুদ্রে জোয়ার চলছিল। আচমকাই জোরালো ঢেউ এসে তাঁদের মধ্যে দু’জনকে টেনে নিয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে তাঁরা সমুদ্রের গভীরে তলিয়ে যান। বিষয়টি নজরে আসতেই শুরু হয় তল্লাশি। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে নামেন নুলিয়ারা। স্পিডবোট নিয়ে সমুদ্রে তল্লাশি শুরু করা হয়। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে তল্লাশি। (Mandarmoni Tourist Died)
দীর্ঘ তল্লাশির পর এক পর্যটককে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয়। তড়িঘড়ি তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত পর্যটকের নাম সোমনাথ মজুমদার। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলার দুলালপুর পূর্ব পাড়ায়।
মহারাষ্ট্রের বিধায়কের ব্যক্তিগত সহকারীর মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যু, বাড়ির কাছেই দেহ উদ্ধার
অন্যদিকে, এই ঘটনায় নিখোঁজ ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জামালহাটির বাসিন্দা কমলেশ মণ্ডলও। শনিবার রাত পর্যন্ত তাঁর কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফলে উদ্বেগ বাড়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। এরপর রবিবার সকালে ফের সমুদ্রে তল্লাশি শুরু করা হয়। সেই সময় সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় কমলেশের দেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। (Mandarmoni Tourist Died)
জোয়ারের সময় পর্যটকদের সমুদ্রে নামা নিয়ে বারবার সতর্ক করা হলেও অনেক ক্ষেত্রেই সেই নিষেধ অমান্য করে বিপজ্জনকভাবে জলে নামেন পর্যটকরা, আর তাতেই ঘটে এই ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মন্দারমণির এই দুর্ঘটনাও ফের সেই সতর্কতার বিষয়টিই সামনে এনে দিল।








