চিনি কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে ক্রেতাদের। গোটা দেশে মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে চিনির দাম বেড়়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। এর কারণ হিসেবে বৃষ্টির কারণে আখ চাষে ক্ষতি, জোগানের তুলনায় চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তবে আপনি কি জানেন, ১০০ কেজি আখ থেকে কত কেজি চিনি পাওয়া যায়? শুনলে আপনি অবাক হবেন। ১০০ কেজি আখ থেকে প্রায় ৯ থেকে ১০ কেজি চিনি তৈরি করা সম্ভব। অর্থাৎ, ১ কেজি চিনি পাওয়ার জন্য গড়ে প্রায় ১০ কেজি আখ দরকার হয় (sugar)।
sugar: ‘সুগার রিকভারি’ কী?
আখ থেকে যতটা চিনি উদ্ধার বা নিষ্কাশন করা যায়, তাকে ‘সুগার রিকভারি’ বলে। ভারতে সাধারণত এই হার প্রায় ১০ শতাংশ বা তার কিছুটা বেশি (যেমন ১০.৩%) হয়ে থাকে। ২০২৩-২৪ সালে ভারতে গড় সুগার রিকভারি প্রায় ১০.৩ শতাংশ ছিল। ভালো মানের আখ থেকে বেশি চিনি উৎপাদন করা যায়। আখের মান খারাপ হলে বা রিকভারি কম হলে উৎপাদিত চিনির পরিমাণও কমে যায়। ২০২৬ সালে দেশে আখের উৎপাদন ভালো হলেও প্রত্যাশার তুলনায় চিনি উৎপাদন কম হয়েছে। এর অন্যতম কারণ ছিল আখ থেকে চিনি তৈরির হার কমে যাওয়া (sugar)।
আখের বাকি অংশের কী হয়?
১০০ কেজি আখ থেকে যদি মাত্র ৯-১০ কেজি চিনি পাওয়া যায়, তবে বাকি অংশের কী হয়? এই অংশটিও অপচয় হয় না। রস বের করে নেওয়ার পর যে আঁশযুক্ত অংশটি অবশিষ্ট থাকে, তাকে বলা হয় ‘ব্যাগাস’ (bagasse) বা আখের ছোবড়া। চিনিকলগুলো এটি জ্বালানি হিসেবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করে। আরেকটি উপজাত হলো চিটেগুড় (molasses), যা আরও নানা পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, আখের একটা বড় অংশ চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি অন্যান্য কাজেও ব্যবহৃত হয়।













1 thought on “১০০ কেজি আখ থেকে কতটা চিনি উৎপাদন হয়? শুনলে অবাক হবেন”
Comments are closed.