মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ প্রণালী দিয়ে আমদানি ব্যাহত হওয়ার পর LPG-তে বিদেশ-নির্ভরতা কমাতে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। (Reliance Lpg Production Target) প্রথমবার নির্দিষ্ট করে ২১টি রিফাইনারি ও আপস্ট্রিম সংস্থার জন্য LPG উৎপাদনের সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিল পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। ঘাটতি বা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেই এই লক্ষ্য কার্যকর হবে।
Reliance Lpg Production Target: রিলায়েন্সের কোটা সর্বোচ্চ
নতুন তালিকায় রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের জামনগরের ৩৩ মিলিয়ন টন ক্ষমতাসম্পন্ন DTA রিফাইনারিকে দৈনিক সর্বোচ্চ ১৮,০০০ টন LPG উৎপাদনের লক্ষ্য দেওয়া হয়েছে। একই জায়গার ৩৫.২ মিলিয়ন টন ক্ষমতাসম্পন্ন শুধু রফতানিমুখী রিফাইনারির জন্য কোনও লক্ষ্য নেই। নায়ারা এনার্জির ভাদিনার রিফাইনারির লক্ষ্য দৈনিক ৪,৪৮০ টন। ১৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থার রিফাইনারির সম্মিলিত লক্ষ্য ৩১,৪৭০ টন। ONGC, GAIL-সহ গ্যাস উৎপাদক ও প্রক্রিয়াজাতকারী সংস্থাগুলির লক্ষ্য ৬,৪৬০ টন।
আমদানির উপর প্রবল নির্ভরতা
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারতে LPG ব্যবহার হয়েছে ৩৩.২ মিলিয়ন টন, অর্থাৎ দৈনিক প্রায় ৯১,০০০ টন। দেশিয় উৎপাদন ছিল ১৩.১ মিলিয়ন টন বা দিনে প্রায় ৩৫,৯০০ টন। বাকি ২১.৩ মিলিয়ন টন আমদানি হয়েছে—প্রয়োজনের ৬৪ শতাংশেরও বেশি। হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সৌদি আরব-সহ দেশগুলি থেকে আসা আমদানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
অগস্টে মাসে কমল গ্যাসের দাম, কলকাতায় বড় স্বস্তি
জরুরি পদক্ষেপে বাড়ে উৎপাদন
মার্চে কেন্দ্র রিফাইনারিগুলিকে পেট্রোকেমিক্যালের কিছু ফিডস্ট্রিম LPG-তে সরাতে বলে। শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের বিক্রি সাময়িক বন্ধ করা হয়, পরে ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়। গৃহস্থের রিফিল বুকিংয়ের ব্যবধানও বাড়ানো হয়েছিল। সর্বোচ্চ সংকটকালে দেশীয় LPG উৎপাদন দৈনিক প্রায় ৫৫,০০০ টনে পৌঁছয়। জুনের মাঝামাঝি সরবরাহ স্বাভাবিক হলে জরুরি নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়। (Reliance Lpg Production Target)
স্টোরেজ ও পরিবহণেও জোর
(Reliance Lpg Production Target) নতুন ব্যবস্থায় সংস্থাগুলিকে নির্দিষ্ট পরিমাণ LPG মজুত, সরানো ও পরিবহণের জন্য পর্যাপ্ত পরিকাঠামো রাখতে হবে। ন্যাফথা থেকে LPG তৈরি এবং গ্যাসোলিন ভিত্তিক ফ্লুইড ক্যাট্যালিটিক ক্র্যাকিং ইউনিট বা FCC-কে Petro-FCC-তে আপগ্রেডের মতো প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিকভাবে সম্ভব ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
ছয় মাস অন্তর বদলাবে লক্ষ্য
(Reliance Lpg Production Target) প্রয়োজনে কেন্দ্র নির্দিষ্ট সময়ের জন্য উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিতে পারবে। নতুন রিফাইনারি, প্রযুক্তি, স্টোরেজ, পরিবহণ বা সরবরাহ পরিকাঠামো উন্নত হলে লক্ষ্যমাত্রাও বাড়তে পারে। প্রতি বছর ১ জানুয়ারি ও ১ জুলাই উৎপাদন সূচি পর্যালোচনা করবে সরকার।
কাঁপছে বিপক্ষ, জার্মানির সঙ্গে ৭,০০,০০০,০০০,০০০ টাকার সাবমেরিন ডিল ভারতের













I and also my guys were actually digesting the excellent secrets from your web site then all of the sudden came up with a horrible suspicion I never thanked the site owner for those secrets. All the ladies were definitely consequently warmed to study them and now have undoubtedly been taking pleasure in them. Thanks for really being so kind as well as for obtaining this sort of helpful ideas most people are really desirous to learn about. My personal sincere regret for not expressing gratitude to earlier.