নেপালের ভয়াবহ বন্যা নিয়ে উদ্বেগ, পাহাড়ে অপরিকল্পিত উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন, কলকাতার অগ্নিকাণ্ড নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা—একাধিক ইস্যুতে সরব হলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার কলকাতার ইকো পার্কে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নেপালের পরিস্থিতি থেকে শুরু করে তৃণমূলের রাজনীতি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং শহরের অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে একের পর এক মন্তব্য করেন তিনি। (Dilip Ghosh)
নেপালের বন্যায় উদ্বেগ
নেপালে আকস্মিক বন্যায় এখনও পর্যন্ত ১৬২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। নিখোঁজ ৩০০ জন ভারতীয়। বন্যার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। রাসুয়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকলেও উপগ্রহ চিত্রে তিব্বত এলাকায় ব্যাপক বৃষ্টির ছবি ধরা পড়েছে। পরিস্থিতির জেরে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় হাই অ্যালার্ট জারি হয়েছে। দিলীপ বলেন, এই কঠিন সময়ে ভারত নেপালের পাশে রয়েছে। প্রয়োজনীয় সাহায্য পাঠানো হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও ত্রাণসামগ্রী পাঠাচ্ছেন। (Dilip Ghosh)
পাহাড়ে উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন
হিমালয় থেকে কাশ্মীর, সিকিম—বারবার মেঘভাঙা বৃষ্টি, বাঁধ ভাঙা ও ধসের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন দিলীপ। তাঁর দাবি, বড় রাস্তা, সুড়ঙ্গ ও নির্মাণের চাপ পাহাড়কে দুর্বল করছে। উন্নয়নের নামে যেখানে-সেখানে নির্মাণ বন্ধ করে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নীতি তৈরির দাবি জানান তিনি। (Dilip Ghosh)
‘বন্দে মাতরম্’ প্রসঙ্গ
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বন্দে মাতরম্’ নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, দেশপ্রেম জাগাতে এই গান গুরুত্বপূর্ণ। ‘বন্দে মাতরম্’ এবং তিরঙ্গা যাত্রার মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে দেশভক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা রক্ষার পক্ষেও সওয়াল করেন।
কলকাতার অগ্নিকাণ্ড নিয়েও সরব
শহরের পুরনো বাড়িতে বেআইনি ব্যবসা ও ফায়ার লাইসেন্সের সমস্যা নিয়েও সরব হন দিলীপ। তাঁর দাবি, বহু বাড়িতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছাড়াই ব্যবসা চলছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িগুলি পরীক্ষা করে প্রয়োজন হলে ভেঙে ফেলার পরামর্শ দেন তিনি। ব্যবসায়ীদের নথি জমা দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় এবং সরকারি দফতরকে দ্রুত লাইসেন্স দেওয়ার দাবিও জানান দিলীপ। (Dilip Ghosh)
আরও পড়ুন :- নেপালে হড়পা বান, নিখোঁজ ১০৫ ভারতীয়











1 thought on “নেপাল বিপর্যয়ে ত্রাণ পাঠাচ্ছে রাজ্যও, ঘোষণা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের”