রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

বন্যা বিপর্যস্ত নেপালে নিখোঁজ ৩২০ জন ভারতীয়, নিরাপদে ৪০০ জন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

nepal flood
---Advertisement---

নেপালে আঘাত হেনেছে হড়পা বান। তাসের ঘরের মতো ভেঙে গিয়েছে বাড়ি ঘর। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ভারতের বহু পর্যটক। এই অবস্থায় নতুন তথ্য দিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, তিব্বত-নেপাল সীমান্তে হড়পা বানের (Flash Flood) পর নিখোঁজ ৩২০ জন ভারতীয়। তাঁদের সঙ্গে এখনও কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। তাঁদের খোঁজ চলছে। অন্যদিকে চিনের তিব্বত অংশে থাকা ৪০০ জন ভারতীয় তীর্থযাত্রী সম্পূর্ণ নিরাপদে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বেজিং-এ ভারতীয় দূতাবাসে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে (nepal flood)।

nepal flood: নেপালে ভারতীয়দের পরিস্থিতি নিয়ে কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, নেপালে প্রায় ৩২০ জন ভারতীয়র সঙ্গে এখনও যোগাযোগ করা যায়নি। ইতিমধ্যেই নেপালের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় মোট ৮৫ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে, নেপাল সেনাবাহিনীর সহায়তায় উদ্ধার হওয়া ২১ জন ভারতীয় তীর্থযাত্রী দেশে ফিরেছেন। উদ্ধারের পর তাঁরা কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসে ছিলেন। শুক্রবার দুপুরে দিল্লির বিমানবন্দরে তাঁদের স্বাগত জানান, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

বন্যা বিপর্যস্ত নেপাল। ভারত-নেপাল সীমান্তে একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গের ভিতর আটকে অনেকে। এই নিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রক এস জয়শঙ্কর জানান, সেখানে অনেক মানুষ আটকে থাকতে পারেন। এই পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ ও বেইলি ব্রিজ স্থাপনের জন্য একটি দল পাঠাচ্ছে ভারত। পাশাপাশি একটি মেডিক্যাল টিমও পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জয়শঙ্কর জানান, নেপালের প্রয়োজন হলে এনডিআরএফ কর্মীদেরও পাঠানো হবে।

ইতিমধ্যেই ত্রাণসামগ্রী নিয়ে ভারত থেকে দুটি বিমান নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। ত্রাণ নিয়ে আজ আরও একটি বিমানও রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে। জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, নেপালের ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে সহায়তা করা এবং সেখানে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনাই ভারতের “সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার”।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now