লরি থামিয়ে তোলা তোলার অভিযোগ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে। কাঠগড়ায় সেই পুলিশই। তদন্তে নেমে কলকাতা পুলিশের এক সার্জেন, এক কনস্টেবল এবং এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে সাসপেন্ড করল লালবাজার। ভাঙড়ে একটি মাল বোঝাই লরি থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ ওঠার পর এই পদক্ষেপ। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্তের পরই তিনজনের বিরুদ্ধে এই বিভাগীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে (kolkata police)।
kolkata police: এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ লালবাজারের
পুলিশ সূত্রে খবর, রাজ্য সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে কলকাতা পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ আসার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ ছিল, ভাঙড়ের ঘটকপুকুর মোড়ে নিয়মিত পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে তাদের কাছ থেকে মোটা টাকা আদায় করা হচ্ছিল। সেই অভিযোগ পেয়েই তদন্ত চালায় ভাঙড় ট্রাফিক পুলিশ গার্ড (kolkata police)।
তদন্তে সার্জেন্ট নুরুল ইসলাম মোল্লা, কনস্টেবল শিবনন্দন ঠাকুর এবং সিভিক ভলান্টিয়ার আলি হাসান মোল্লার নাম উঠে আসে। তাঁদের বিরুদ্ধে ‘তোলা’ আদায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এরপরেই অ্যাকশন নেয় কলকাতা পুলিশ। সার্জেন্ট নুরুল ইসলাম মোল্লা ও কনস্টেবল শিবনন্দন ঠাকুরকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
লালবাজার সূত্রে খবর, অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে তদন্ত করেই ওই দুই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। আপাতত সাসপেন্ড করা হলেও তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হবে। জানা যাচ্ছে, ওই দুই পুলিশকর্মীর পাশাপাশি তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় সিভিক ভলান্টিয়ার আলি হাসান মোল্লার বিরুদ্ধেও। অভিযোগ পাওয়ার পরই তাঁকেও ডিমোবিলাইজ বা দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধেও বিভাগীয় তদন্ত শুরু করবে লালবাজার।











