সরকার দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের কাছে পৌঁছাতে বদ্ধপরিকর। এমনটাই আশ্বাস দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ। তবে এই বিপর্যয়ের পিছনে জলবায়ুর বিস্তর পরিবর্তনের কথাও তিনি উল্লেখ করলেন। নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ বলেন, নেপালে এই ভয়াবহ বন্যা কোনও ‘সাধারণ’ ঘটনা ছিল না। বরং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। এই সময় তিনি এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন (Balen Shah)।
চিন-নেপাল সীমান্তে হড়পা বানে কাদামাটির বিশাল স্রোতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৯৩৯ জন। এখনও নিখোঁজ প্রায় ৪,৫০০ জন। ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বহু বাড়ি-ঘর, স্কুল,ব্রিজ, হাসপাতাল। নেপাল সরকার জানিয়েছে এইগুলি পুনর্গঠনের জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন।
Balen Shah: কী বললেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?
সোমবার গভীর রাতে সমাজ মাধ্যমে একটি পোস্ট করেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ (Balen Shah)। সেই পোস্টে তিনি লেখেন, “রাসুয়ার ভোটেকোশি নদীতে সৃষ্টি বন্যা কোনও সাধারণ বন্যা ছিল না।” তিনি আরও বলেন, “এটি ছিল ওই অঞ্চলের অন্যতম বড় একটি দুর্যোগ। যা হিমালয় অঞ্চলে তুষার ও বরফের ধসের কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে হিমবাহ দ্রুত গলতে শুরু করছে। শাহ বলেন, “এতে বোঝা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি হিমালয় অঞ্চলে বসতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রাও বাড়ছে। তাই, আমাদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আমরা যেসব দুর্যোগের সম্মুখীন হচ্ছি, সে বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে জোরালো আওয়াজ তোলার সময় এসে গিয়েছে।”
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে নেপাল সফরের সময় রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছিলেন, হিমালয় অঞ্চলগুলি দ্রুত গলতে থাকা হিমবাহের কারণে সঙ্কটের মুখে পড়েছে এবং “পৃথিবীর ছাদ ধসে পড়ছে”।












