সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একটি ভিডিয়ো। যেখানে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তিকে পেছন থেকে তাক করে গুলি করছেন আরও এক ব্যক্তি। যদিও দু’জনের মধ্যে কারোরই মুখ স্পষ্ট চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। পাকিস্তানের বুকে ‘অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজ’-এর নিশানা যেন হুবহু ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার টানটান অ্যাকশন দৃশ্য! রিল লাইফের মতো রিয়েল লাইফেও ঠিক একইভাবে জঙ্গি নিকেশের সেই দৃশ্য ধরা পড়ল (dhurandhar style killing)।
সূত্রের খবর, পাকিস্তানে এক ‘অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজ’-এর গুলিতে হাফিজ জুলফিকার নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি জঙ্গি সংগঠন ‘জইশ-ই-মহম্মদ’-এর সদস্য। ২৬/১১ মুম্বই হামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড জাকি-উর-রহমান লাখভির আত্মীয় এই হাফিজ। পাকিস্তানে প্রকাশ্য রাস্তায় ‘অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজ’ তাঁকে লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়।
dhurandhar style killing: সিসিটিভি ফুটেজে ভাইরাল গুলি চালানোর দৃশ্য
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তি পেছন থেকে অন্য একজনের দিকে ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে। এরপর তার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি চালায়। গুলি লাগার পরই সামনের ব্যক্তি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তারপরই ওই হামলাকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ভারতের একজন কর্নেল এই ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে শেয়ার করে লিখেছেন, “লুকানোর কোনো জায়গা নেই, মৃত্যুই শ্রেয়”। সমাজমাধ্যমে নেটিজেনদের দাবি, হাফিজ ছিলেন ‘জইশ-ই-মহম্মদ’-এর সদস্য (dhurandhar style killing)।
হাফিজের সঙ্গে ‘জইশ-ই-মহম্মদ’-এর যোগসূত্র
রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, লখভির এই মুহূর্তে লস্কর-ই-তৈয়বার অপারেশনাল প্রধান ও সামরিক কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বেশকিছু সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তারই আত্মীয় ছিলেন এই হাফিজ। অন্যদিকে, গত কয়েক বছরে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক হেভিওয়েট জঙ্গি আততায়ীদের গুলিতে নিহত হয়েছে। পাকিস্তান সরকার এই ঘটনার পেছনে ভারতের দিকে আঙুল তুললেও, নয়াদিল্লি প্রতিবারই দৃঢ়ভাবে এই ধরনের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে।












1 thought on “‘ধুরন্ধর’ স্টাইলে নিকেশ, পাকিস্তানে বন্দুকবাজের গুলিতে নিকেশ জইশ জঙ্গি”