ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

অগ্রিম বুকিংয়েই বাজিমাত, মুক্তির আগেই বক্স অফিসে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’-র মহারণ

Published on: September 3, 2026
mirzapur the movie
---Advertisement---

মুক্তির আগেই বক্স অফিস কাঁপাচ্ছে হিন্দি ক্রাইম থ্রিলার ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’। আগামিকাল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে এই সিনেমাটি। প্রথম দিনেই অগ্রিম বুকিং ইতিমধ্যেই ৩.৯৬ কোটি টাকা (যা প্রায় ৪ কোটি টাকার কাছাকাছি) ছুঁয়ে ফেলেছে। দেশে প্রথম দিনেই টিকিট বিক্রি হয়েছে, ১.৪ লক্ষ টাকা। এই সিনেমায় দেখতে পাবেন কালিন ভাইয়া চরিত্রে পঙ্কজ ত্রিপাঠী, গুড্ডু পণ্ডিত চরিত্রে আলি ফজল এবং মুন্না ত্রিপাঠী চরিত্রে দিব্যেন্দুকে।

mirzapur the movie: কত কোটি টাকা আয় করল ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’?

ছবিটি মুক্তি পেতে আর কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। এর মধ্যেই অগ্রিম বুকিংয়ের পরিসংখ্যান কোটি ছাড়িয়েছে। স্যাকনিল্ক (Sacnilk)-এর তথ্য অনুযায়ী, সারা ভারতে প্রথম দিনে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’ অগ্রিম বুকিং প্রায় ৩.৯৬ কোটি টাকা। এখন পর্যন্ত অগ্রিম বুকিংয়ে প্রায় ১,৪০,২৯৫টি টিকিট বিক্রি হয়েছে।

যদি ব্লকড সিটের হিসাবও ধরা হয়, তবে রিলিজের আগের দিন পর্যন্ত ছবিটির মোট অগ্রিম সংগ্রহ ৬.২০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। রাজ্যভিত্তিক অগ্রিম বুকিংয়ের ক্ষেত্রে দিল্লি, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশ সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। বাংলাতেও সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে উন্মাদনা দেখা গিয়েছে।

আগামিকাল সিনেমাটি ভারতের প্রতিটি প্রেক্ষাগৃহে হিন্দি ও তেলুগু ভাষায় মুক্তি পেতে চলেছে। জনপ্রিয় এই ওটিটি (OTT) ফ্র্যাঞ্চাইজির সিনেমা সংস্করণে পঙ্কজ ত্রিপাঠী (কালিন ভাইয়া), আলি ফজল (গুড্ডু পণ্ডিত) এবং দিব্যেন্দু (মুন্না ভাইয়া)-র মতো তারকাদের আবার বড় পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে।

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) নির্মাতাদের বেশ কিছু দৃশ্য বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই দৃশ্য বাদ দেওয়ার পর ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’-কে ‘এ’ (A) ছাড়পত্র দিয়েছে। ‘বলিউড হাঙ্গামা’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছবিটির দুটি দৃশ্য থেকে প্রায় ৩৫ সেকেন্ডের অন্তরঙ্গ অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে।


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now