মধ্যপ্রদেশের বালাঘাটে ৩০ জন আদিবাসী শিশুর মৃত্যু নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন cjp নেতা অভিজিৎ দীপকে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন রোগে আদিবাসী ৩০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। এবার সেখানে পৌঁছে গেলেন cjp নেতা। শনিবার আদিবাসী গ্রামগুলি ঘুরে দেখলেন। সম্প্রতি সংক্রমণ রোগে সন্তান হারানো পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি, স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে নিয়ে অভিজিৎ মধ্যপ্রদেশের আদোরি, কোরকা ও বোন্দারি গ্রাম পরিদর্শন করেন এবং সেখানকার স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো কেমন তা খোঁজ নেন (cjp abhijit dipke)।
cjp abhijit dipke: শিশু মৃত্যুর কারণ কী?
প্রশাসনের উদাসিনতার অভিযোগ তুলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে cjp নেতা অভিজিৎ দীপকে (cjp abhijit dipke) বলেন, প্রশাসন শিশুদের মৃত্যুর কথা স্বীকার করলেও এখনও পর্যন্ত কোনও আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি স্পষ্ট জানান, তারা এখানে কেবল প্রশাসনের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতেই এসেছেন। তিনি বলেন,”যাঁরা তাঁদের সন্তানদের হারিয়েছেন, সেই পরিবারগুলির প্রতি আমরা পূর্ণ সহানুভূতিশীল। তাঁদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আমরা অবশ্যই এগিয়ে আসব। আমরা কেবল সরকারের কাছ থেকে দায়িত্ব ও জবাবদিহি চাইতে এসেছি।”
cjp নেতার অভিযোগ, স্বাধীনতার এত বছর পরেও আদিবাসী শিশুরা টিকাকরণ এবং বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাবের কারণে মারা যাচ্ছে। সুযোগ-সুবিধার অভাবে তারা কুয়ো বা পুকুরের দূষিত জল পান করতে বাধ্য হচ্ছে।
তাঁর এই সফরের কয়েক দিন আগেই মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা (PIL) হয়। সেই মামলার ভিত্তিতে রাজ্য সরকার, স্বাস্থ্য দফতর এবং বালাঘাটের কালেক্টরকে নোটিস পাঠানো হয়। মামলাকারীর অভিযোগ, মাত্র ৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রায় ৪০০ জন শিশুর চিকিৎসা চলছে এবং এলাকায় দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে পুষ্টিকর খাদ্য ও পরিচ্ছন্ন পানীয় জলের তীব্র সঙ্কট রয়েছে।
অভিজিৎ দীপকের এই সফরকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর এই সফর রুখতে এবং সত্য আড়াল করতে স্থানীয় পুলিশ কিছু আদিবাসী ছাত্র সমন্বয়কারীকে আটক করার চেষ্টা করে।









