(Prabir Das) ফুটবলজীবনের শেষ অধ্যায়টাও যেন আবেগে মোড়া। সবুজ-মেরুনের প্রতি ভালোবাসা সঙ্গে নিয়েই দীর্ঘ সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে পেশাদার ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা করলেন বাংলার ফুটবলের রক্ষণভাগের পরিচিত মুখ প্রবীর দাস। তাঁর কথায়, “প্রতিটি অধ্যায়েরই একটা শেষ বাঁশি থাকে।” সেই বাঁশি এবার বেজে গেল তাঁর ক্ষেত্রেও। তবে ফুটবলকে পুরোপুরি বিদায় জানাচ্ছেন না—আগামী দিনে অন্যভাবে এই খেলায় অবদান রাখার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর।
SAIL Academy থেকে শুরু স্বপ্নযাত্রা
(Prabir Das) নিজের পোস্টে ৩২ বছর বয়সী ডিফেন্ডার জানিয়েছেন, ছোটবেলার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে SAIL Academy-তে ফুটবলের হাতেখড়ি। এরপর পৈলান অ্যারোস, ডেম্পো এসসি, এফসি গোয়া ও দিল্লি ডায়নামোস হয়ে কলকাতায় ফেরেন। মোহনবাগানে পেয়েছিলেন নিজের ফুটবল-পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ক্লাবটিকে নিজের ‘মাদার ক্লাব’ বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি।
Prabir Das: ATK থেকে মোহনবাগান, একের পর এক সাফল্য
ATK-র হয়েও তাঁর কেরিয়ারে আসে সাফল্যের অন্যতম সেরা সময়। দু’বার ISL চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন প্রবীর। পরে ATK Mohun Bagan, বেঙ্গালুরু এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্স, মুম্বাই সিটি এফসি হয়ে ইন্টার কাশিতেও খেলেছেন এই রাইট-ব্যাক। বেঙ্গালুরুর হয়ে ২০২২ সালে জেতেন ডুরান্ড কাপও।
মোহনবাগানই ‘মাদার ক্লাব’
মোহনবাগানকে নিজের ‘মাদার ক্লাব’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রবীর (Prabir Das)। সবুজ-মেরুনে খেলেই নিজেকে ফুটবলার হিসেবে খুঁজে পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রাক্তন ক্রীড়াবিদদের জন্য বড় ঘোষণা, মাসে মিলবে ১০ হাজার টাকা; কারা পাবেন এই সম্মানিক?
জাতীয় দলের জার্সিতেও প্রতিনিধিত্ব
ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ ও অনূর্ধ্ব ২৩ দলে খেলেছেন প্রবীর। অনূর্ধ্ব ১৯ অভিষেকেই গোল করেছিলেন। সিনিয়র জাতীয় দলের ক্ষেত্রেও তাঁর নামে আন্তর্জাতিক উপস্থিতি নথিভুক্ত রয়েছে।
Prabir Das: অসুস্থতার সঙ্গে কঠিন লড়াই
অবসরবার্তায় প্রথমবার প্রকাশ্যে নিজের কঠিন স্বাস্থ্যসংকটের কথাও জানান প্রবীর। কেরালা ব্লাস্টার্সের প্রাক-মরসুম শিবিরে থাইল্যান্ডে থাকাকালীন শরীরের বাঁ দিকে অসাড়তা, ঝিনঝিনে অনুভূতি এবং ভারসাম্যের সমস্যা শুরু হয়। দীর্ঘ চিকিৎসা ও লড়াইয়ের পর ফুটবলে ফিরলেও এবার জানালেন—সময় এসেছে থামার। পরিবার, বন্ধু, চিকিৎসক, ক্লাব এবং সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
Prabir Das: “ফুটবলকে বিদায় নয়”
খেলা থেকে অবসর নিলেও ফুটবল থেকে দূরে যাচ্ছেন না প্রবীর। ভবিষ্যতে অন্য কোনও ভূমিকায় এই খেলায় অবদান রাখার ইচ্ছা স্পষ্ট করেছেন তিনি। বিভিন্ন ক্লাব, কোচ, সতীর্থ ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। গীতশ্রী, পরিবার, সতীর্থ, কোচ ও সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে, ফুটবল থেকে আবেগঘন বিদায় নিলেন প্রবীর।











2 thoughts on “দীর্ঘ আবেগঘন পোস্ট, মোহনবাগান জার্সিতেই ফুটবলকে বিদায় প্রবীর দাসের”