গুজরাটে হাড়হিম হত্যাকাণ্ড। ৫ বছরের শিশুকন্যাকে খুন করে ফ্রিজে রাখলেন বাবা। তারপর নিজেও ‘আত্মঘাতী’ হলেন। দেহের পাশ থেকে মিলেছে ৩টি সুইসাইড নোট। পুলিশ সূত্রে খবর, এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে গুজরাটের আমরেলি জেলায় (Gujarat)।
রাজুলার পুলিশ সুপার নয়না গোরাডিয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন,‘আত্মঘাতী’ যুবকের নাম কিশোর ধনক। পেশায় নির্মাণ কর্মী। বয়স ৪০ বছর। মৃত পাঁচ বছরের কন্যা হিংমাশী। বুধবার কিশোর ধনক তাঁর মেয়েকে খুন করে ফ্রিজে রাখেন। তারপর নিজেও গালায় ফাঁস দিয়ে ‘আত্মঘাতী’হন (Gujarat)।
মেয়েকে খুন করে কেন আত্মঘাতী হলেন?
সূত্রের খবর, ওই ব্যক্তির স্ত্রী মঞ্জুবেন বাপের বাড়ি গিয়েছিলেন। তারপর থেকে তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ফোন বন্ধ পান। এরপর তিনি উদবিগ্ন হয়ে মঞ্জুবেন তাঁর ভাইকে বিষয়টি দেখতে বলেন। দিদির কথা মতো তাঁর ভাই কিশোর ধনকের বাড়ি যান। বাইরে থেকে অনেক ডকাডাকিও করেন। কিন্তু কোনও সাড়াশব্দ পাননি। এরপর তিনি মঞ্জুবেনকে বিষয়টি জানান। মঞ্জুবেন এসে দরজা ভেঙে দেখতেই তিনি দেখেন, একটি ঘরে তাঁর স্বামীর দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। পাশ থেকে মেলে ৩টি সুইসাইড নোট। পাওয়া যায় তাঁদের শিশুকন্যার দেহও।
সুইসাইড নোটে কী পেলেন?
এই ঘটনার পরই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মঞ্জুবেন। তিনি এফআইআর-এ জানান, এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৭ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত ঋণ নিয়েছিলেন নির্মাণকর্মী কিশোর ধনক। যৌথ বিনিয়োগে তাঁর অংশীদার কোনও টাকা দেননি বলে দাবি। ফলে আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন ওই ব্যাক্তি। তাতেই আত্মঘাতী হওয়ার সিদ্ধান্ত। তবে মেয়েকে খুন করার বিষয় নিয়ে ধনক সুইসাইড নোটে লেখেন, তাঁর মৃত্যুর পর মেয়ে যেন কোনও সমস্যার মধ্যে না পড়ে, সেই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতেই তিনি খুন করেছেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার দিন মেয়ের জন্মদিন না হওয়া সত্বেও তার জন্মদিন পালন করেন ধনক। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান মেয়ের শেষবার জন্মদিন পালন করতে চেয়েছিলেন তিনি। মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন তিনি। শেষে আত্মঘাতী হন নিজেও। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সব বিষয়ই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।














If you are looking for a platform that actually pays out and has a wide range of slots, bigobet889 is the way to go.